খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ই জুন ২০২৬, ২:২৪ এএম

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের পদ্মার চরাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কৃষক ও জমির মালিকদের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র চরাঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করে প্রকৃত চাষীদের ওপর নানা ধরনের নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, পদ্মার চরে গড়ে ওঠা কলা বাগান থেকে জবরদস্তি করে কলা কেটে নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, চাষীরা নিজেদের শ্রম ও অর্থ ব্যয়ে গড়ে তোলা কলা বাগান রক্ষা করতে গেলেও তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রাণনাশসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক কৃষক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অস্ত্র, মাদক, দস্যুতা, ডাকাতি, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন পলাতক আসামির নেতৃত্বে একটি বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে চরাঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
একাধিক মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও তারা প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পদ্মার চরাঞ্চলের জমি ‘বরগা নেওয়ার’ নামে জবরদখলের চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রকৃত জমির মালিকরা। তাদের দাবি,ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে জমি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অপচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষক ও জমির মালিকরা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।তারা চরাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল বৃদ্ধি এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
কোনো সম্পর্কিত খবর পাওয়া যায়নি.
মন্তব্য