খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ই নভেম্বর ২০২৫, ২:৪৩ এএম

মিরপুর প্রতিনিধি ॥ দেড়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়ার মিরপুর রেলস্টেশনে বাড়েনি সেবার মান। একসময় জেলার সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন স্টেশন হিসেবে নির্মাণ হলেও সংস্কার ও সম্প্রসারণের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে যাত্রীসেবা। কয়েক লক্ষ মানুষের রেল যোগাযোগের ভরসা এই স্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ হচ্ছে না কোনো স্টেশন মাস্টার। স্টেশনে ৪টি ট্রেন থামলেও পর্যাপ্ত সেবা ও নিরাপত্তা নেই যাত্রীদের। কুষ্টিয়ার মিরপুরে রেল স্টেশন চালু হয় ১৮৬৭ সালে। মেহেরপুর জেলা ও মিরপুর উপজেলার মানুষের রেল যোগাযোগের নিকটতম স্টেশন এটি। খুলনা থেকে উত্তরবঙ্গের রূপসা, কপোতাক্ষ ও মহানন্দা এক্সপ্রেস এবং ঢাকা-রাজশাহী রুটের মধুমতি ট্রেন থামে এই স্টেশনে।
তবে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এই ঐতিহ্যবাহী স্টেশনের এখন জরাজীর্ণ দশা। বিপুল সংখ্যক যাত্রী চলাচল করলেও গত ৬ মাস ধরে নিয়োগ হয়নি কোনো স্টেশন মাস্টার। মাত্র দুজন কর্মচারী দিয়েই চলছে কার্যক্রম। যাত্রীরা বলছেন, জনবল সংকটের কারণে স্টেশনে ঠিকমতো টিকিট পাওয়া যায় না। নেই বসার আসন ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যা হলেই অন্ধকার স্টেশন এলাকা পরিণত হয় মাদকসেবীদের আখড়ায়। জনবল সংকটে যাত্রী সেবায় ব্যাঘাত ঘটছে স্বীকার করে স্টেশনের নানা সমস্যার জানালেন রেল কর্মকর্তা।
মিরপুর রেল স্টেশনের বুকিং সহকারী সুজন আহমেদ বলেন, ‘মাস্টার না থাকার কারণে কিছু কিছু অভিযোগ আসে। সিগন্যাল না থাকার কারণে যাত্রীদের পার হওয়ার সময় কষ্ট হয়। আমি জানতে পারছি কিছুদিনের মধ্যে হয়তো মাস্টার দিতে পারে।’ পাকশী রেলওয়ের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা হাসিনা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন সমস্যার সমাধান করা হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের পাকশীর বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা হাসিনা খাতুন বলেন, ‘অর্ডার করা হয়েছে মাস্টার এলেই খুলে দিব।’ প্রায় ১৫ লাখ মানুষের রেল যাতায়াতের মাধ্যম কুষ্টিয়ার এই মিরপুর রেলওয়ে স্টেশন।
কোনো সম্পর্কিত খবর পাওয়া যায়নি.
মন্তব্য