খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ই জুন ২০২৬, ৩:৩৮ এএম

ইবি প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের সব ধরনের বৈষম্যমূলক ফি কমানো, প্রচলিত পোষ্য কোটা বাতিল ও সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধসহ চার দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ। গতকাল শনিবার (২০ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে তিনি এ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় আইন বিভাগের ২০২২-২৩ বর্ষের শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ জীবন এ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে অনশনে অংশ নেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
তাদের দাবিগুলো হলো-বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশোভন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ বন্ধ করা, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সব ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমানো। জানতে চাইলে বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিতে। দাবি আদায় না হওয়ায় পরবর্তীতে এটি সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। এতে প্রায় ১৪০০ এর অধিক ভাই-বোন শহিদ হয়েছিল এবং ২২ হাজারের বেশি ভাই-বোন আহত হয়েছিল।
কিন্তু তার পরবর্তী নকীব নসরুল্লাহ প্রশাসন অনেক চেষ্টা করেছিল কিন্তু শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সিন্ডিকেট তিনি ভাঙতে পারেননি। বর্তমান প্রশাসনের কাছে দাবি, এ পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং অযৌক্তিক ফি-গুলো কমাতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে হয়রানি করা হয় শিক্ষার্থীদের। কোনো কাজে গেলেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা বাপ-মা তুলে গালিগালাজ করে, এটাও যেন না করা হয়। সার্টিফিকেট উত্তোলনে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়। সে হয়রানিগুলো বন্ধ করতে হবে। এ চার দফা দাবি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাব।
কোনো সম্পর্কিত খবর পাওয়া যায়নি.
মন্তব্য