খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ই আগস্ট ২০২৩, ৬:৪৪ পিএম

একই বিদ্যালয়ে পড়াশোর সুবাদে কিশোর (১৬) – কিশোরীর (১৫) পরিচয় থেকে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। একপর্যায়ে জন্মনিবন্ধন সনদ জাল করে নোটারী পাবলিক করে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেন তারা। যা আইনগতভাবে অবৈধ। এরপর কথিত বিয়ের মাত্র তিনমাসের মাথায় তাঁদের বনিবনা না হলে কিশোরকে ডিভোর্স দেন কিশোরী।

ডিভোর্স দেওয়ার পর থেকেই ওই কিশোরীকে পথেঘাটে উত্যক্ত করতে থাকে কিশোর। এনিয়ে দুই পরিবারে মধ্যে বিরোধ দেখা যায়। সেই বিরোধের জেরে কিশোরীর বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের মহম্মদপুর গ্রামে গত মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
বুধবার (১৬ আগষ্ট) বিকেল তিনটার দিকে ওই কিশোর, তার মা, বাবাসহ পাঁচজনের নামে ইউএনও কাছে ও থানায় লিখিত অভিযোগ করেন কিশোরীর বাবা।
বিকেলে সরেজমিন কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, টিনের বেড়া, ফ্রিজ, সেলাই মেশিনে ক্ষতচিহ্ন। এলোমেলো ঘরের আসবাবপত্র।
এসময় কিশোরী বলেন, ‘ প্রেম করে গেল ১২ রমজানে আমাদের কোর্টের মাধ্যমে বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকে আমার স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন খুব মারধর করতো। সেজন্য গত ৩১ জুলাই আমি ডিভোর্স দিয়েছি। তবুও ও ( স্বামী) পথেঘাটে খুব বিরক্ত করে, বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছে।’
![]()
কিশোরীর বাবা বলেন, ডিভোর্স দেওয়ার কারণে ছেলেপক্ষ তাঁর বাড়িতে মঙ্গলবার বিকেলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ঘড়ের বেড়া, ফ্রিজ ও আসবাবপত্র ভাংচুর এবং নগদ লুটপাট করে নিয়ে গেছে। তিনি সুষ্ঠ বিচারের আশায় ইউএনও কার্যালয় ও থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযুক্ত কিশোরের বাবা বলেন, ছেলে – মেয়ে নিজেরায় বিয়ে করেছিল। পরে মেয়েই আবার ডিভোর্স দিয়েছে। তবে তারা কারো বাড়িতে হামলা ও লুটপাট করেনি।
অভিযোগের বিষয় স্বীকার করে ইউএনও ( ভারপ্রাপ্ত) মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, প্রেমের জেরে আইন বহির্ভূত বিয়ে ও ডিভোর্সের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ও লুটপাটের অভিযোগ পেয়েছেন তিনি। থানা পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মন্তব্য