খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ই এপ্রিল ২০২৩, ১০:৫২ পিএম

কুষ্টিয়ায় তীব্র তাপদাহে কৃষি জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। প্রখর রৌদ্রে পুড়ে নষ্ট হচ্ছে ক্ষেতে ফসল। কৃষিকাজ করতে গিয়ে তাপদাহে টিকতে না পেরে কৃষকেরা একটু পর পর ছুটে যাচ্ছেন গাছের ছায়ায়। আবার ফসল রক্ষার্থে প্রতিদিনই ক্ষেতের জমিতে পানি দিয়েও সুফল পাচ্ছেননা কৃষকরা।

বৈশাখের এই খরতাপে পুড়ছে দেশ, পুড়ছে দেশের ফসল। প্রখর তাপদাহে জনজীবনে নেমে এসেছে নাভিশ্বাস অবস্থা।
এরথেকে রক্ষা পাচ্ছে না কৃষকের চাষকরা ফসলের ক্ষেতও। ফসল রক্ষার্থে কেউ কেউ জমিতে সেচের পানি দিলেও তা মুহুর্তের মধ্যে শুকিয়ে একই অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। খরতাপ ও তাপদাহ থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজন বৃষ্টি।
দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাঞ্চননগর গ্রামের রানা হোসেন নামে এক কৃষক জানান, বৃষ্চি না হওয়া প্রখর রৌদ্রে ক্ষেতের ফসল বাঁচাতে সেচ দিয়েও কোন কাজে আসছেন। এভাবে ফসল উৎপাদন করাও সম্ভব না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আবার কৃষি ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে তাপদাহে টিকতে না পেরে কৃষকেরা ছুটে যাচ্ছেন গাছের ছায়ায়। তবুও মিলছেনা স্বস্থি। এদিকে আবহাওয়া দপ্তর বলছেন আপাতত ঈদের আগে তাপদাহের পরিবর্তনের পূর্বাভাস নেই।

ভৌগলিক কারণে কুষ্টিয়া অঞ্চলেও তীব্র তাপদাহ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন কুমারখালী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান। প্রকৃতির এ বৈরী আহাওয়া থেকে বাঁচতে বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টিকর্তার কাছে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করা হলেও দেখা মিলছেনা বৃষ্টির। ফলে অস্বস্থি ও দূর্বিসহ অবস্থা থেকে পরিত্রাণও মিলছেনা কুষ্টিয়াবাসীর।
মন্তব্য