খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ই জুন ২০২৬, ২:৫৮ এএম

ইবি প্রতিনিধি ॥ আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক মানোন্নয়নের ধারাবাহিক প্রয়াসের অংশ হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (ওছঅঈ) আয়োজিত চার দিনব্যাপী কর্মশালার তৃতীয় দিনে “ঝঁনসরংংরড়হ ড়ভ ‘ওহঃবহঃ ঃড় অঢ়ঢ়ষু’ ভড়ৎ ইঅঈ অপপৎবফরঃধঃরড়হ” কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। কর্মশালার রিসোর্স পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আইকিউএসি র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদ উদ-দৌলা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। এসময় রিসোর্স পারসন অধ্যাপক ড. আসাদ উদ-দৌলা ইঅঈ অ্যাক্রেডিটেশনের আবেদন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুতি এবং মানদণ্ডসমূহ নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন।
তিনি অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং আবেদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, “অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক মানোন্নয়নের যাত্রা। শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎকর্ষতা অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে সুসংগঠিত পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে।” প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইবি উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে অ্যাক্রেডিটেশন এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (ইঅঈ)-এর স্বীকৃতি অর্জনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
কোনো সম্পর্কিত খবর পাওয়া যায়নি.
মন্তব্য