খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ই জুন ২০২৬, ৩:৮ এএম

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের উদ্যোগে অসহায়, দুস্থতের মাঝে চেক বিতরণ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ কার্যালয়ে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের রাজস্ব তহবিলের অর্থ হতে গরীব দুঃস্থ অসহায় মানুষের মাঝে চিকিৎসা ও শিক্ষার জন্য আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চেক বিতরণ করেন, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভার:) আব্দুল হাই সিদ্দিকী।
চেক বিতরণকালে দি কুষ্টিয়া চেম্বারের পরিচালক ফুহাদ রেজা ফাহিমসহ জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন। এসময় জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান দেশনায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে, সরকারের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অনুদান প্রদান করা হচ্ছে, যা উপকারভোগীদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি অনুদানের অর্থ যথাযথ কাজে ব্যবহারের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের নৈতিক কর্তব্যও।
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সবসময় চেষ্টা করা হচ্ছে যেন অসহায় মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা পায় এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে আসতে পারে। এই আর্থিক সহায়তা হয়তো সাময়িক স্বস্তি দেবে, তবে আমাদের লক্ষ্য হলো তাদের আত্মবিশ্বাস ও জীবনের সংগ্রামে নতুন শক্তি যোগানো। অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন। দেশের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে তিনি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। তাঁর নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় আজকের এই সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত রাজনীতি। জনগণের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেওয়ার মধ্য দিয়েই একটি মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
এছাড়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভার:) আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, জেলা পরিষদ থেকে একটা বরাদ্দ থাকে, যেটার মাধ্যমে গরিব, অসহায়, দুস্থ বা বিভিন্ন সামাজিক কাজে একটু সহযোগিতা করতে পারি। সেই জায়গা থেকে জেলা পরিষদের প্রশাসকের নির্দেশে অসহায়দের তালিকা করেছিলাম যাতে সেখানে গরিব অসহায় মানুষ সুবিধা পায়। বিভিন্ন ব্যক্তির আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত উপকারভোগীদের মধ্যে এ অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এর পূর্বেও ১৩ লাখ টাকার মতো অনুদান দেওয়া হয়েছে। গরিব, অসহায় দুস্থ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে আমাদের সামান্য অবদান এক উন্নয়নের কারিগর হিসেবে দেখতে চাই। অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীরা জেলা পরিষদের এ উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কোনো সম্পর্কিত খবর পাওয়া যায়নি.
মন্তব্য