কুষ্টিয়ার মানুষের দৌড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়ার মানুষের দৌড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৩
কুষ্টিয়ার মানুষের দৌড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক

সারা দেশের ন্যায় কুষ্টিয়াতেও মানুষের দৌড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কুষ্টিয়ার মানুষের দৌড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক

কুষ্টিয়ার মানুষের দৌড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক

কুষ্টিয়ার মানুষের দৌড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক

প্রসূতি মায়ের চিকিৎসা, শিশুর চিকিৎসা, চিকিৎসা শিক্ষাসহ বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে এই কমিউনিটি ক্লিনিকে। যেন হাত বাড়ালেই চিকিৎসা সেবা। জেলার ৬উপজেলায় ৬৬টি ইউনিয়নে ২০২টি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিনিয়ত কুষ্টিয়ার মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করছে। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে তৃণমুল মানুষও রয়েছে স্বস্থি ও সন্তোষ্টিতে। ৬ হাজার মানুষের জন্য রয়েছে একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক। প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে ২৮ রকম চিকিৎসাপথ্য বা ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হয়ে থাকে।

দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের শেরপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ প্রোভাইডার মো. হাসিবুল হাসান জানান, প্রতিদিন গড়ে ৪০থেকে ৪৫জন রোগীকে চিকিৎসা ও চিকিৎসাপথ্য দেওয়া হয়ে থাকে। জটিল রোগী আসলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পরামর্শও দিয়ে থাকেন তারা।

একই কথা বলেছেন রিফাইতপুর ইউনিয়নের কাগহাটী কমিউনিটি ক্লিনিকের নারী হেলথ প্রোভাইডার। তিনি জানান, প্রতিমাসে গড়ে ৭০০ থেকে সাড়ে ৭০০ প্রসূতি মা, শিশুসহ সবধরণের রোগীর চিকিৎসা দেওয়া থাকে।

দৌলতপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন বলেন, তৃণমুল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দৌলতপুরে ৫৬টি কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ প্রোভাইডাররা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের নিয়মিত মনিটরিংও করা হয়ে থাকে।

কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, তৃণমুল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জেলায় ২০২টি কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসকরা সপ্তাহে ৬দিন চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এরফলে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের চাপ কমেছে। চিকিৎসা সেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক। ফলে গ্রামের সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার জন্য আর ছুটে যেতে হচ্ছেনা হাসপাতালগুলোতে বা চিকিৎসকের কাছে। যেন হাত বাড়ালেই চিকিৎসা সেবা।