কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ সময়মতো বিদ্যুত থাকেনা। বিকল্প উপায় জেনারেটরও অকেজ। তাই মোমবাতি কিংবা মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে করা হয় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের অস্ত্রোপচার। এতে একদিকে জীবন রয়েছে রোগীর মৃত্যুর ঝুঁকি, অন্যদিকে বিপাকে পড়েছেন চিকিৎসকরা। এমন খবরে শুনে হাসপাতালটিদে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আইপিএস প্রদান করা হয়েছে।
প্রায় ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে আইপিএসটি দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খোকসা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়র খান। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আইপিএস পেয়ে খুশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা। তারা কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স ইনচার্জ রূপালী খাতুন বলেন, বিদ্যুত থাকেনা। জেনারেটর নষ্ট। টর্চ লাইট, মোমবাতি ও ফোনের আলো জ্বালিয়ে ওটি করা হতো। এতে খুবই ভোগান্তি হচ্ছিল। এখন আইপিএস এসেছে হাসপাতালে। খুব সুবিধা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চিকিৎসক রাহগীর মাহমুদ বলেন, আইপিএসের অভাবে জরুরী সেবা বিঘ্নত হতো।
এখন বিদ্যুত চলে গেলেও সেবা চলমান থাকবে। আইপিএস পেয়ে খুশি সকলেই। সরকারি হাসপাতালে মোমবাতি জ্বালিয়ে অপারেশন চলছে – এমন খবর পেয়ে প্রায় ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি আইপিএস প্রদানের কথা জানালেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খোকসা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার খান। তিনি বলেন, হাসপাতালের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সরকারের নজরদারি বাড়ানো উচিৎ।









