মিরপুর প্রতিনিধি ॥ আধুনিক কৃষি যন্ত্রের ব্যবহার বাড়লেও ধানের জমি তৈরিতে এখনো মহিষের ওপর নির্ভর করছেন অনেক কৃষক। বিশেষ করে কাদামাটির জমিতে মই দেওয়ার কাজে মহিষের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। কৃষকেরা জানান, শুকনো জমি চাষের জন্য এখন পাওয়ার টিলার বা কলের লাঙল ব্যবহার করা হয়। এতে জমির মাটি ওলটপালট করা যায়। এরপর জমিতে পানি জমে কাদা হলে মহিষ দিয়ে মই টেনে মাটি সমান করা হয়। এভাবেই ধানের চারা রোপণ বা বীজ বপনের জন্য জমি প্রস্তুত করেন তাঁরা।
সম্প্রতি মিরপুর উপজেলার একটি মাঠে দেখা যায়, এক জোড়া মহিষ দিয়ে কাদামাটির জমিতে মই দেওয়া হচ্ছে। কৃষক শওকত আলী মহিষ দিয়ে মই টেনে জমি সমান করছিলেন। তিনি বলেন, ‘কলের লাঙল দিয়ে জমি চাষ করা যায়। কিন্তু কাদা জমিতে মই দেওয়ার জন্য মহিষই ব্যবহার করতে হয়। মহিষ দিয়ে সহজেই জমি সমান করা যায়।’ পার্শ্ববর্তী গ্রামের কৃষক মো. শহিদুল জানান, শুকনো জমিতে তাঁরা কলের লাঙল দিয়ে চাষ করেন। জমিতে পানি জমে কাদা হলে মহিষ দিয়ে মই দেন। এতে জমির কাদা সমান হয়ে যায় এবং ধান চাষের জন্য জমি তৈরি হয়। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে জমি চাষের কাজে পাওয়ার টিলারসহ বিভিন্ন কৃষিযন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। তবে কাদামাটির জমিতে মই দেওয়ার কাজে এখনো অনেক কৃষক গরু-মহিষ ব্যবহার করেন।









