দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের নজিবপুর দক্ষিন পাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত রিয়াজুল হক এর স্ত্রী শিরিনা আক্তার চুরির মামলা করে বাড়ি ছাড়া হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে শিরিনা আক্তার বলেন, আমার প্রতিবেশী মহারাজ আলী ও তার ছেলে হাসান আলী এর আগে আমার বাড়িতে দুই বার চুরি করে এবং আমি তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলি। এলাকাবাসীর অনুরোধ তাদের ক্ষমা করে দেই।
কিন্তু গত ৩ জুলাই মহারাজ ও তার ছেলে হাসান আলী আবার আমার বাড়িতে ঢুকে নগদ তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায় এবং আমি দেখে ফেলি, আমার ডাক চিৎকারে তারা পালিয়ে যায়। পরে আমি নিজে বাদি হয়ে দৌলতপুর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করি। পুলিশ তদন্ত করে মামলা নেন এবং পুলিশ তদন্ত পূর্বক তাদের আটক করে। তারা আটক হওয়ার পর থেকে তাদের আত্মীয়রা আমাকে মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে। আমি মামলা তুলে না নিলে আমাকে হত্যা করার হুমকি দিচ্ছি। আমি বাড়িতে একাই বসবাস করি তার সুযোগে তারা আমাকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে হত্যার হুমকিও দিচ্ছে। তাই আমি বাঁধ্য হয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে ছেলের বাসায় অবস্থান করছি। আমি ঘটনার সঠিক তদন্ত করে বিচার দাবি করছি।
এ দিকে মহারাজের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন, তিনিও ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি করেন। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক ইলিয়াস হোসাইন বলেন, শিরিনা খাতুনের লিখিত অভিযোগ ভিত্তিতে একটি চুরি মামলা হয়েছে। এজাহার নামিয় আসামি মহারাজ আলী কে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা আছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ঘটনার সত্যতা আছে বলেই মামলাটি রেকর্ড হয়েছে। এবং বিষয়টি আরো অধিক তদন্ত চলছে।









