বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কনফারেন্স রুম ও ইপিআই রুমের মেরামত, সংস্কার এবং রক্ষণাবেক্ষণ কাজ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্যাকেজ নং-১৮ এর আওতায় “রিপেয়ার, রেনোভেশন, মেইনটেনেন্স সিভিল, স্যানেটারি এন্ড ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্ক অফ কনফারেন্স রুম এন্ড ইপিআই রুম অফ খোকসা হসপিটাল’ শীর্ষক কাজের জন্য টেন্ডার আইডি-১২৫৩৯৫৩ এর মাধ্যমে ৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় সায়ান ট্রেডার্স, কুষ্টিয়া। অভিযোগকারীদের দাবি, কাজের গুণগত মান, ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় নানা অসঙ্গতি রয়েছে। তাদের মতে, বরাদ্দকৃত অর্থের সঙ্গে বাস্তবায়িত কাজের পরিমাণ ও মানের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। সরেজমিনে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাজ দেখতে গেলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। অনেকটা দায়সারা ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক বলেন, প্রকল্পের বিল-ভাউচার, পরিমাপ বই (এমবি), কার্যাদেশ এবং ব্যবহৃত উপকরণের মান যাচাই করলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।
তারা বিষয়টি তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে সায়ান ট্রেডার্সের প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম বলেন, কাজে কোন রকম ত্রুটি হচ্ছে না। এখনো কাজ চলমান রয়েছে। ছোট্ট বিলের কাজ এর থেকে ভালো করা সম্ভব না। তবে অল্প বরাদ্দের কাজ কেন নিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন উত্তর দেননি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আরিফুল হক বলেন, সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর তা তদারকি করছে। কাজ শেষ হলে যথাযথভাবে বুঝে নেওয়া হবে। কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুষ্টিয়া বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার শীল বলেন, ওখানে কাজ এখনো চলমান রয়েছে। আমরা তদারকি করছি।লিখিত অভিযোগ পেলে বা প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করব।









