মিরপুর প্রতিনিধি ॥ দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৩৫ প্লাটন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জেলার সীমান্তবর্তী ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর ৬৬টি পূজামণ্ডপে ২৪টি বেইজ ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রায় ৮০০ বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
গতকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার মিরপুর পৌরসভার হরিতলা সার্বজনীন শিব মন্দির পরিদর্শনকালে এসব তথ্য জানান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন।
পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, যশোর রিজিয়নের প্রায় ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় সীমান্ত থেকে ৮ কিলোমিটারের মধ্যে এবং ব্যাটালিয়ন ও সেক্টর সদর দপ্তরের আশপাশে মোট ২২২টি পূজামণ্ডপে বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে। এর মধ্যে কুষ্টিয়া সেক্টরের আওতাধীন পদ্মা নদীর দক্ষিণ দিক থেকে যশোর পর্যন্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার এলাকায় ৬৬টি পূজামণ্ডপ রয়েছে।
তিনি জানান, এসব পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় মোট ২৪টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় আগে থেকেই কয়েকটি বেইজ ক্যাম্প ছিল। দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন কয়েকটি বেইজ ক্যাম্পও স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যাম্প থেকে প্রায় ৮০০ বিজিবি সদস্য বা ৩৫ প্লাটন সদস্য শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন।
এসময় সেক্টর কমান্ডার পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসন, মন্দির কমিটি এবং সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি, মেজর মোহাম্মদ আসরারুল হক এবং কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল হুদা।
এছাড়া হরিতলা সার্বজনীন শিব মন্দির পরিচালনা পরিষদের কার্যকরী সভাপতি আনন্দ কুমার দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহাদেব চন্দ্র ঘোষসহ মন্দির কমিটির সদস্য ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি মন্দির কমিটির হাতে মিষ্টি তুলে দেন।









