একযোগে সারাদেশে বিতরণ, কুষ্টিয়ায় ৩৮৩ শিক্ষক-কর্মচারী পেলেন কাঙিক্ষত অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিলের ভাতা। গতকাল শনিবার( ১৫ আগস্ট) সকাল এগারোটায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে সরাসরি ও একযোগে সারা দেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই কার্যক্রমের উদ্ভোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এসময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসময় উপস্থিত ছিলেন,জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ তৌহিদ বিন-হাসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিপিএম (বার), জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাকির হোসেন, স্থানীয় সরকার আহমেদ উপপরিচালক মাহবুব-উল-ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি এবং উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা ও উপজেলার শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ।
উপস্থিত বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষা পরিবারের বেসরকারী এমপিওভুক্ত সদস্যদের জন্য আজ এক ঐতিহাসিক দিন। শিক্ষাদানের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা প্রদান শেষে শিক্ষকগণ রিক্ত হস্তে অবসরে চলে যান। নিজের বেতনের কিয়দংশ যা কল্যাণ ও অবসর ভাতা হিসেবে তিলে তিলে জমা দেন, অবসর গ্রহণের পর দীর্ঘদিন পর্যন্ত তা তারা পান না। এতে অবসর জীবনে অনেকেই দুর্বিসহ জীবনযাপন করেন। অবশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আনুকূল্যে দীর্ঘদিনের এই অব্যবস্থাপনা ও অমানবিকতা থেকে মুক্তির দিন আজ।
একযোগে দেশের অন্যান্য জেলার মতো কুষ্টিয়া জেলার ৩৮৩ জন শিক্ষক-কর্মচারী তাদের বহুল কাঙ্ক্ষিত ও প্রতীক্ষিত অর্থ আজ নিজ একাউন্টে কোন তৃতীয পক্ষ ছাড়াই সরাসরি পাচ্ছেন- এজন্য কুষ্টিযা জেলার সকল শিক্ষক ও তাদের পরিবারবর্গের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। জীবন সাযান্নে অবসরপ্রাপ্ত একজন শিক্ষক এই অর্থে তার নিজের চিকিৎসা, অথবা ছেলের-মেযের পড়াশোনা অথবা জীবনের কোন অপূর্ণ ইচ্ছা পূরণে ব্যয় করবেন এবং আমি নিশ্চিত আল্লাহতালার কাছে দুহাত তুলে মাননীয প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের জন্য দোযা করবেন। পরে জেলার ৩৮৩ জন শিক্ষক-কর্মচারীও এ কর্মসূচির আওতায় তাদের কাঙ্ক্ষিত অর্থ সরাসরি নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে পেয়েছেন। কোনো তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নয়, সরাসরি নিজস্ব অ্যাকাউন্টে অর্থ পাওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষ দেখা দিয়েছে।









