বিশেষ প্রতিনিধি ॥ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমী গতকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কুষ্টিয়ায় নানা ধর্মীয় আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। পূজা-অর্চনা, অঞ্জলি, যজ্ঞ ও প্রসাদ বিতরণসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় মুখর হয়ে ওঠে জেলার পূজামণ্ডপগুলো। তবে উৎসবের আনন্দের মধ্যেই ভক্তদের মনে বাজছে বিদায়ের সুর। আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।
মহানবমী উপলক্ষে সকাল থেকেই বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্তদের সমাগম ঘটে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পূজা-অর্চনা ও অঞ্জলি নিবেদন শেষে অনেক মণ্ডপে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও ভক্তিমূলক পরিবেশে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপগুলো।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এ বছর দেবী দুর্গা ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে এসেছেন এবং নৌকায় চড়ে বিদায় নেবেন। দেবীর আগমন ও গমনের বাহন নিয়ে প্রচলিত শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা ও লোকবিশ্বাসে নানা তাৎপর্য রয়েছে। ভক্তদের প্রত্যাশা, দেবীর আশীর্বাদে অশুভ শক্তির বিনাশ হবে এবং পৃথিবীতে শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হবে।
এ বছর কুষ্টিয়া জেলায় মোট ২৫৮টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবের শেষ পর্বে আজ বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গার পূজা ও অন্যান্য ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের এবারের আয়োজন।
দুর্গোৎসবের শেষ দিনে প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে পূজামণ্ডপগুলোতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উৎসবের বিদায়বেলায় ভক্তরা দেবীর কাছে পরিবার, সমাজ ও দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মঙ্গল কামনা করবেন।









