খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ই এপ্রিল ২০২৩, ২:২০ পিএম

ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম এর গৃহনির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ঘর পেলেন রঞ্জু: একটি ঘর একটা মানুষের বেঁচে থাকার সম্বল, একটি বাসস্থান একটি মানুষের অধিকার। কুষ্টিয়া কুমারখালী তেবাড়িয়া পৌর ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রঞ্জু নামে এক ভ্যান চালক জরাজীর্ণ ঘরে থাকতেন। তার ঘরের চার পাশে সুপারি গাছের পাতার বেড়া , লুঙ্গি আর পুরাতন কাপুর দিয়ে ঘেরা। বৃষ্টি আসলে ছেলে মেয়ে নিয়ে কষ্টের শেষ ছিল না। এই শিরোনামে পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হয়। নিউজটা নজরে আসে ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম এর চেয়ারম্যান আশিকুল ইসলাম চপল এর। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন রঞ্জুর ঘর করে দিবেন।

সেই প্রতিশ্রুতি অংশ হিসেবে গৃহহীন,দরিদ্র-অসহায় পরিবার কে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য বিনামূল্যে ঘর প্রদান করলেন ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম।
কুমারখালী পৌর ৮ নং ওয়ার্ডের তেবাড়িয়া গ্ৰামের আলীম উদ্দিন রঞ্জু ঘর পেয়ে আবেগ আপ্লুত কন্ঠে বলেন, এই ঘর আমাকে বাঁচতে সাহায্য করবে। তিন সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে অনেক কষ্ট করে বসবাস করেছি। আমি ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম এর সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
শুক্রবার সকাল ১১ টার সময় তেবাড়িয়া গ্ৰামে রঞ্জু বাড়িতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম নির্মিত ঘর রঞ্জু কাছে হস্তান্তর করেন। ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম এর চেয়ারম্যান আশিকুল ইসলাম চপল , কুমারখালী পৌর মেয়র সামসুজ্জামান অরুণ, কুমারখালী এম এন পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, পৌর ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তুহিন শেখ।
সাংবাদিক মাহমুদ শরীর দৈনিক সংগ্রাম, সাংবাদিক তানভীর লিটন বিজয় টিভি, উপজেলা প্রতিনিধি, মনোয়ার হোসেন চ্যালেন এস উপজেলা প্রতিনিধি, সাংবাদিক সোহাগ মাহমুদ খান, দৈনিক নয়া দিগন্ত উপজেলা প্রতিনিধি, মোশারফ হোসেন উপজেলা প্রতিনিধি দৈনিক ভোরের ডাক সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এই সময় উপস্থিত ছিলেন।
কুমারখালী পৌর মেয়র সামসুজ্জামান অরুণ বলেন, ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম এর উদ্যোগে রঞ্জুর মতো গৃহহীন কে গৃহনির্মাণ করে দিচ্ছে। এটি আসলেই ভালো উদ্যোগ, সরকারের পক্ষে সব কাজ একা করা সম্ভব নয়। ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম এর চেয়ারম্যান আশিকুল ইসলাম চপল এর মতো আরো সবাই কে এগিয়ে আসতে হবে।

ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম এর চেয়ারম্যান আশিকুল ইসলাম চপল বলেন, এটি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সবার ক্ষুদ্র- ক্ষুদ্র সহযোগিতায় গৃহনির্মাণ প্রকল্পের আওতায় আমরা গৃহহীন দের জন্য গৃহনির্মাণ করা, অসহায় মানুষদের সাবলম্বী করা, সেলাই মেশিন দেওয়া, শীতবস্ত্র দেওয়া, খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সহ আরো অনেক কর্যক্রম করে থাকি। এটা আমাদের ২৮ তম ঘর এটা বাদেও আমারা বিভিন্ন উপজেলায় আমরা ঘর নির্মাণ করেছি। আমরা সবাই সহযোগিতা কামনা করছি।
গৃহ হস্তান্তর শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য