কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে কুষ্টিয়ার ৬৫ ইউনিয়নের মধ্যে তৃতীয় চিথলিয়া পরিষদ

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে কুষ্টিয়ার ৬৫টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছে মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ। নির্ভুলভাবে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করায় গত অক্টোবর মাসে প্রশংসিত হয়েছে পরিষদটি। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের জন্য প্রতি মাসে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। 

 

এর অংশ হিসেবে চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে শূন্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ২৯টি এবং মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ৮টি নির্ধারণ করা হয়েছে। তথ্য সূত্রে, কুষ্টিয়া পৌরসভা ১ম, সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি পরিষদ ২য় ও মিরপুরের চিথলিয়া পরিষদ ৩য় হয়েছে। 

 

গতকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) এক বার্তায় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শামীম খান বলেন, চেয়ারম্যান, পরিষদের অন্য কর্মচারী এবং গ্রাম পুলিশের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতি মাসে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সবার আন্তরিকতা ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 

এছাড়া চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক বাবলু বলেন, সেবার মান শুধু প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে না, সেবাদানকারীর আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি যত আধুনিকই হোক, এর পেছনে থাকা মানুষটি কতটা আন্তরিক, তার ওপরই সেবার মান নির্ভর করে। পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাম পুলিশের আন্তরিকতার কারণেই প্রতি মাসে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে।

 

এদিকে পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হালিম জোয়ার্দ্দার বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ নাগরিকের মৌলিক অধিকার। চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সনদ নিতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয় না। সরকার নির্ধারিত ফি দিয়ে আমার শিশুর নিবন্ধন করতে দ্রুত ও সহজে সেবা পেয়েছি। তবে এ কাজে গ্রাম পুলিশ বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বিষয় অবগত করে সহযোগিতা করেন। 

 

ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ (দফাদার) সাগর আলী বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতি মাসে তদারকি করেন। এছাড়া ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তার নির্দেশনা মোতাবেক, কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলে কিংবা এলাকায় কারও মৃত্যু হলে আমরা ১০টি গ্রাম পুলিশ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে থাকি। পরে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

 

উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, প্রশাসনিক তদারকি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা এবং গ্রাম পুলিশের মাঠপর্যায়ের সহযোগিতার কারণে চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এ সাফল্য অর্জন করেছে।

 

Tags :

কুষ্টিয়া জেলা নিউজ ডেক্স, কুষ্টিয়া জিলাইভ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Are you human? Please solve:Captcha


সর্বশেষ খবর