দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার ১৪ নং আড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের তালবাড়িয়া মোল্লা পাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিধবা রহিমা খাতুন (৮০)। আইডি কার্ড অনুযায়ী পিতা মৃত বিলাত আলী মন্ডল, স্বামী মৃত বাহার আলী মিস্ত্রি। জন্ম ১০ জানুয়ারি ১৯৪৭ সালে জন্ম।
স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই একা জীবন পার করছেন তিনি। পলিথিন ও টিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি ছোট একটি ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এই বৃদ্ধা। দেখার কেউ নেই, আয়ের কোন উৎস নেই।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৬২ বছর বয়স হলেই বয়স্ক ভাতা এবং স্বামী মারা গেলে বিধবা ভাতা পাওয়ার কথা। কিন্তু ৮০ বছর বয়সেও আজ পর্যন্ত তার ভাগ্যে জোটেনি কোনো ভাতার কার্ড।
রহিমা খাতুন বলেন, “বহুবার মেম্বার চেয়ারম্যানের কাছে গেছি। একটা কার্ডের জন্য কত ঘুরেছি। কেউ দেয়নি। এই বয়সে মানুষের কাছে চেয়ে খেতে হয়।”
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সাথে কথা বললে স্থানীয় মেম্বার কামরুল মালিথা বলেন বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য আমরা অনলাইনও করেছিলাম কিন্তু কেনো হয়নি আমরা জানি না।
এলাকাবাসী জানান, এত বয়স্ক ও অসহায় একজন মানুষ সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা দ্রুত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সমাজসেবা অফিসের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে দ্রুত তার বয়স্ক ও বিধবা ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়।









