ইবি প্রতিনিধি ॥ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত পদ্ধতিতে ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে একযোগে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে আগামী ১৫ জুলাই। গতকাল সোমবার (২২ জুন) দুপুরে এই তথ্য জানিয়েছেন জিএসটি গুচ্ছভূক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির (২০২৫-২৬) আহবায়ক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি জানান, গতকালও একটি সভা করে তৃতীয় মেরিট দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এই মাসের ২৮ তারিখ থেকে আগামী মাসের ৫ তারিখের ভেতরে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম ইনশাআল্লাহ সম্পন্ন করা হবে।
এছাড়া, আগামী ১৫ জুলাই থেকে এই ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হওয়ার ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে বেশ কিছু উদ্যোগের কথা জানান ইবি উপাচার্য। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এবার এক স্থানেই সম্পন্ন হবে চূড়ান্ত ভর্তি-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম। সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান, অনুষদের ডিন এবং আবাসিক হলের প্রভোস্টদের সমন্বয়ে বিশেষ সেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফলে ব্যাংক, বিভাগ, অনুষদ ও হলে বারবার ঘুরে বেড়ানোর পরিবর্তে এক জায়গা থেকেই ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন নবীন শিক্ষার্থীরা। গতকাল সোমবার (২২ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠার ৪৭ বছর পরও ভর্তি কার্যক্রমের বড় একটি অংশ এখনও প্রচলিত বা এনালগ পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। এর ফলে চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্ন করতে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক, বিভাগ, অনুষদ ও আবাসিক হলের মধ্যে একাধিকবার যাতায়াত করতে হয়। এতে সময় ও অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হন। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে এবার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। ভর্তি প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত ও শিক্ষার্থী-বান্ধব করতে একাধিক সমন্বিত সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘এবারের ভর্তি প্রক্রিয়াটি সহজ করার জন্য কয়েকটি সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সেলে সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান এবং হল প্রভোস্টরা উপস্থিত থাকবেন।” তিনি আরো বলেন,“তারা একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করবেন এবং শিক্ষার্থীরা সেখানেই প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে। এর ফলে ভর্তি প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দপ্তরে বারবার যেতে হবে না।’ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নবীন শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকাংশে কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে ভর্তি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতি বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম আগামী ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।









