নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী কেবল একজন দক্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই ছিলেন না, বরং কুষ্টিয়া জেলার অবকাঠামোগত ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তৎকালীন জেলা উন্নয়ন সমন্বয়ক হিসেবে তিনি অনন্য রূপকারের ভূমিকা পালন করেছেন। মরহুম সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী’র ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী ১৮ আগস্ট। ১৯৯৫ সালের এই দিনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কমলাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণকারী এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ আজীবন সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় ও অঞ্চলের সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জেলায় দলকে সুসংগঠিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃণমূল পর্যায়ে দলের ভিত মজবুত রেখেছিলেন তিনি। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন কুষ্টিয়া-৬ (বর্তমান কুষ্টিয়া-৪: কুমারখালী-খোকসা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
কুষ্টিয়ার যোগাযোগ ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়। গড়াই নদীর ওপর নির্মিত “সৈয়দ মাছ-উদ রুমী সেতু” কুষ্টিয়া শহর ও আশপাশের অঞ্চলের অর্থনৈতিক যোগাযোগে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। এছাড়া স্থানীয় শিক্ষা প্রসারে তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে গড়ে ওঠা “সৈয়দ মাস উদ রুমী ডিগ্রি কলেজ” গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বর্ষীয়ান এই নেতার প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় আগামী শুক্রবার বাদ জুম্মা খোকসার কমলাপুর রুমীপাড়া জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহীদের উক্ত দোয়া মাহফিলে শরিক হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।









