কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ইবি শিক্ষার্থীদের ১০ শতাংশেরও নেই হেলথ কার্ড, ফ্রীতেও আগ্রহ কম 

ইবি প্রতিনিধি ॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে হেলথ কার্ড (মেডিকেল) করার সুযোগ থাকলেও এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ তুলনামূলক কম। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে কোনো ধরনের খরচ ছাড়াই এ কার্ড নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে অধিকাংশ (৯০%) শিক্ষার্থী এখনো হেলথ কার্ডের আওতায় আসেননি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা সহজতর করতে হেলথ কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কার্ডটি করতে শিক্ষার্থীদের কোনো অর্থ ব্যয় করতে হয় না।

ফলে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য ও সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে এটি সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে অসুস্থতার কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারা কিংবা রিটেক পরীক্ষার মতো একাডেমিক প্রয়োজনে চিকিৎসাজনিত বিষয় প্রমাণের ক্ষেত্রেও হেলথ কার্ড ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসাসেবা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন হলেও কার্ডটি শিক্ষার্থীর জন্য কাজে আসতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেক শিক্ষার্থী হেলথ কার্ডের প্রয়োজনীয়তা, এটি করার প্রক্রিয়া ও এর সুবিধা সম্পর্কে পর্যাপ্তভাবে অবগত নন।

ফলে বিনামূল্যে এ সুবিধা থাকলেও এর ব্যবহার প্রত্যাশিত মাত্রায় হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেউ কেউ মনে করেন তাদের কাছে কেন্দ্রীয় পরিচয়পত্র (ঈবহঃৎধষ ওউ) আছে এবং তারা হেলথ কার্ড ছাড়াও চিকিৎসাসেবা পেয়ে থাকেন, সুতরাং এটার কোনো প্রয়োজন নেই। অনেকের কাছে কার্ডটির ব্যবহার ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেই। আবার কেউ কেউ মনে করেন অন্যান্য কার্ডের (সেমিনার লাইব্রেরী কার্ড, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী কার্ড ও হল কার্ড) ন্যায় হেলথ কার্ড করার জন্যও শতাধিক টাকা খরচ হয়।

আবার অনেকে হেলথ কার্ডের সুযোগ সম্পর্কে জানলেও প্রয়োজন না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের প্রধান ড. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাধারণত কোনো শিক্ষার্থী আসলে আমরা প্রথমেই জিজ্ঞাসা করি যে তার হেলথ কার্ড আছে কিনা। যদি থাকে তাহলে আমরা তাতে সেবা দিয়ে থাকি, না থাকলে আমরা কাগজে সেবা দিয়ে দ্রুতই কার্ড করে ফেলার নির্দেশ দিই। তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থী এসে বলে আমার কেন্দ্রীয় পরিচয়পত্র (ঈবহঃৎধষ ওউ) আছে। আসলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এত আধুনিক নয় যে কার্ডের বার কোড স্কানের মাধ্যমে সেবা দিব। তাই এই এনালগ পদ্ধতির কাগজ কলমে সেবা দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।

Tags :

কুষ্টিয়া জেলা নিউজ ডেক্স, কুষ্টিয়া জিলাইভ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর