ইবি প্রতিনিধি ॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত ছাত্রহল শহীদ আবরার ফাহাদ হলের প্রথম প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. হাফিজুর রহমান। গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, শহীদ আবরার ফাহাদ হলের প্রভোষ্ট হিসেবে ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ হাফিজুর রহমান-কে ১৯/০৪/২০২৬ ইং তারিখ হতে পরবর্তী এক বছরের জন্য উপাচার্য নিয়োগদান করেছেন। এ অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি নিয়মানুযায়ী সুযোগ সুবিধা পাবেন। ২০১৮ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ৫৩৭ কোটি ৭ লাখ টাকার মেগা প্রকল্পের অধীনে ১০ তলা বিশিষ্ট দুটি ছাত্রহল ও দুটি ছাত্রী হলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তবে এখনো হলের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না হলেও ছাত্রহল-১ এর নামকরণ ‘শহীদ আবরার ফাহাদ’ করে প্রশাসন।
এরপরই হলের একটি ৫ কাজ শেষ করে হস্তান্তরের প্রস্তুতি শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। হলের প্রথম ব্লকের শেষ পর্যায়ে কাজ চলমান থাকায় হল প্রভোস্ট নিয়োগ দিয়েছে প্রশাসন। শীঘ্রই হল হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে। নবনিযুক্ত প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. হাফিজুর রহমান বলেন, হলের নির্মাণকাজ এখনো সমাপ্ত হয়নি। তবে প্রশাসন এই পদে আমাকে যোগ্য মনে করে দায়িত্ব দিয়েছে। আমি যথাযথভাবে অর্পিত দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করবো। যেহেতু এটি একটি বড় হল, ছাত্রসংখ্যাও অনেক; আমার প্রথম চেষ্টা থাকবে দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করানো। এরপরে শিক্ষার্থীদের আবাসন দেওয়ার আগে আমি নিজে প্রতিটি রুমে যেয়ে সব ঠিকঠাক আছে কিনা পর্যবেক্ষণ করবো।
তারপরেই শিক্ষার্থীদের হলে সিট দেওয়া হবে। হল পরিচালনার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্যান্য হলের সর্বমোট ধারণক্ষমতা থাকে পাঁচশ-ছয়শো। কিন্তু এই হলের একটি ব্লকেই এতো শিক্ষার্থী থাকবে। শিক্ষার্থীরা নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চললে খুব একটা সমস্যা হবে না। আমি আপাতত প্রথমে অফিস টা সাজাবো, এরপরে হলের অর্গানোগ্রাম টা প্রস্তুত করবো। এছাড়া হলের নিয়মশৃঙ্খলা তৈরি করে হল কে একটি সুন্দর ব্যবস্থাপনার ভেতরে আনার চেষ্টা করবো। তবে সবার আগে হল টা যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া যায়, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
