খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ই জুন ২০২৩, ৭:৩৭ এএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুলের পরিচালিত গ্রীণ আর্কিটেক্টের উদ্যোগে কোমলমতি স্কুল শিশুদের মাঝে আম বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ আম বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

কোমলমতি শিশুরা ফল পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে পড়ে। এসময় গ্রীণ আর্টিকেক্টের প্রতিনিধিরা তাদের ফল খাইয়ে দেয়। শিশুরাও আনন্দ উল্লাসে প্রফুল্ল মুখর হয়ে ওঠে স্কুল প্রাঙ্গণ। এসময় গ্রীণ আর্টিটেক্টের পরিচালক প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল, হাটশ হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবা খন্দকার, গ্রীণ আর্টিটেক্টের প্রতিনিধিরা ও স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে গ্রীণ আর্টিটেক্টের পরিচালক প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক অবস্থায় ৪০টি স্কুল বাছাই করে আমাদের ব্যতিক্রম আম বিতরণ উৎসব শুরু করেছি। আজ ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে প্রত্যেককে ২টি করে আম দেওয়া হয়েছে। কোমলমতি শিশুদের সাথে মিশে ভালালাগা কাজ করছে।’
এছাড়া প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল আরো বলেন, ‘আমরা প্রতিবছরই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যতিক্রম কাজ করে থাকি। কখনো ফল দিয়ে, কখনো মিষ্টি দিয়ে আবার কখনো শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে এসব পালন করি। এছাড়া বিভিন্ন স্কুলের বাচ্চাদের নিজ অর্থায়নে শিক্ষা সফর করানো হয়। আমাদের প্রধান কাজগুলোর অন্যতম বৃক্ষরোপণ করা। এছাড়া এযাবতকালে শিশুদের মাঝে এমন ব্যতিক্রম কাজ বাদেও বাহিরে বিভিন্নস্থানে ইঞ্জিনিয়ার টুটুল পরিবেশেরে ভারসাম্য রক্ষায় প্রায় ১১ লক্ষ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করেছেন বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ও বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে শিক্ষার্থীদের হাতে একশো ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এবং ‘কারাগারের রোজনামচা’ বই তুলে দিয়েছিলেন। গত বছরের (২৮ মার্চ) তিনি এসব তুলে দেন। এছাড়া জাতির পিতার ভালোবাসায় তখন বিভিন্ন গাছের চারা বিতরণ করেন। এসব ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসার উৎসাহ-উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। মুজিববর্ষে তিনি হাতে নিয়েছিলেন নানা কর্মসূচি। এ সময় কয়েক হাজার ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে বই বিতরণ করেন।
গত বছর এপ্রিলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পবিত্র রমজান মাসে বই বিতরণ, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং রমজান মাস উপলক্ষে জায়নামাজ, তসবিহসহ নানা উপহার সামগ্রী নিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন তিনি। প্রতিনিয়ত তিনি প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিসের সামনে থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স বই তুলে দিতেন।
মন্তব্য