কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু হতেই হবে, কোনো অপশন নেই : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ‘ বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনও কি দেখেছেন? যে একজন প্রধানমন্ত্রী একটা সেতুর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ছয়দিনের মাথায় মন্ত্রী হাজির। আমরা তো ইঞ্জিনিয়ার পাঠাতে পারতাম। যান মাপঝোক করে আসেন ব্যবস্থা নেন। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন নো। আপনাকেই যেতে হবে। আপনি গিয়ে এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে, দৃশ্য সরেজমিন দেখে আসেন। সিদ্ধান্ত নিন। দ্রুত সময়ের মধ্যে শহীদ আবরার সেতু বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নিবেন। এটি কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আদেশ। এটি কোনো আলোচনা নয়। এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ। অফিসিয়াল ভাষা যদি বলি। এটা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তারেক রহমানের অনুশাসন। অথএব সেতু হতেই হবে। কোনো অপশন নাই।’

 

গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট – বড়বাজার সংযোগে গড়াই নদীর ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণের স্থল পরিদর্শনে এসে এক আলোচনা সভায় এমন বক্তব্য দেন তিনি।

 

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘ দেশের অর্থনীতির অবস্থা খারাপ। এরমধ্যেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শহীদ আবরারের নামে সেতু করার সিদ্ধান্ত এই কারণে নিয়েছেন, যে এই সেতুর মাধ্যমেই এটি একটি প্রতিবাদ। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। মানুষের সাথে অন্যায় করলে, গুম – খুন করলে যেমন ক্ষমতায় ঠিকে থাকা যায়না, ওইসব ব্যক্তিদের স্মৃতিকে স্মরণে রাখতে, আমরা ব্রীজ করে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর শতবছর মানুষ যাতে মনে রাখতে পারে যে, শহীদ আবরার কে ছিলো।’

 

তিনি আরও বলেছেন, ‘ মানবিক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের অনুশাসন অনুযায়ী আজকে আমি এখনও এসেছি। এবং এই জায়গাতে ভিজিবিলাটি স্ট্যাডি করে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্প প্রনণয় করে, টেন্ডার করে এই গড়াই নদীর ওপর শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু বাস্তবায়নের জন্য যা যা করা প্রয়োজন করা হবে ইনশাআল্লাহ।’

 

 সারের ডিলার নিয়োগে বিরোধী দলের অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সারের ডিলার নিয়োগ দিয়েছেন প্রশাসন। এখানে আমাদের কোনো সম্পৃক্তা নেই। তবুও যদি কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে তিনমাসের মধ্য ডিলারশীপ বাতিল করে নতুন ডিলার নিয়োগ করা হবে।

 

তিনি আরও বলেন,  যেসমস্ত এলাকার সার নিয়ে অপপ্রচার করা হয়েছে সেখানকার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ১১ দলীয় জোট। তারাই সরকারকে জনগণের কাছে বিভ্রান্ত করতে অপপ্রচার করছে।

 

 এ সময় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ ও সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার, জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান, শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Tags :

কুষ্টিয়া জেলা নিউজ ডেক্স, কুষ্টিয়া জিলাইভ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর