বৃহস্পতিবার, ৩০ই জুলাই ২০২৬, ১৫শে শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ই জুলাই ২০২৬, ১৫শে শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জয়ের নিয়ন্ত্রণে অবৈধ বালুর সাম্রাজ্য! নম্বর ও পাসের প্রলোভনে ছাত্রদের সাথে সমকামিতায় বাধ্য করার ভয়াবহ অভিযোগ! ইমো কলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় অস্ত্রসহ দুইজন আটক, নান্দিয়ার বিলে নতুন করে সংঘর্ষের শঙ্কা ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী আটক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এর সাথে আলোকিত পাঠশালার শিক্ষকদের সাক্ষাৎ হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মশাল মিছিল পুনাকের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খেলাধুলা সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক শক্তিশালী বন্ধন: এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ইবির সেই হলের পুকুর ব্যবহার না করার অনুরোধ প্রশাসনের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জয়ের নিয়ন্ত্রণে অবৈধ বালুর সাম্রাজ্য! নম্বর ও পাসের প্রলোভনে ছাত্রদের সাথে সমকামিতায় বাধ্য করার ভয়াবহ অভিযোগ! ইমো কলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় অস্ত্রসহ দুইজন আটক, নান্দিয়ার বিলে নতুন করে সংঘর্ষের শঙ্কা ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী আটক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এর সাথে আলোকিত পাঠশালার শিক্ষকদের সাক্ষাৎ হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মশাল মিছিল পুনাকের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খেলাধুলা সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক শক্তিশালী বন্ধন: এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ইবির সেই হলের পুকুর ব্যবহার না করার অনুরোধ প্রশাসনের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জয়ের নিয়ন্ত্রণে অবৈধ বালুর সাম্রাজ্য! নম্বর ও পাসের প্রলোভনে ছাত্রদের সাথে সমকামিতায় বাধ্য করার ভয়াবহ অভিযোগ! ইমো কলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় অস্ত্রসহ দুইজন আটক, নান্দিয়ার বিলে নতুন করে সংঘর্ষের শঙ্কা ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী আটক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এর সাথে আলোকিত পাঠশালার শিক্ষকদের সাক্ষাৎ হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মশাল মিছিল পুনাকের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খেলাধুলা সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক শক্তিশালী বন্ধন: এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ইবির সেই হলের পুকুর ব্যবহার না করার অনুরোধ প্রশাসনের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জয়ের নিয়ন্ত্রণে অবৈধ বালুর সাম্রাজ্য! নম্বর ও পাসের প্রলোভনে ছাত্রদের সাথে সমকামিতায় বাধ্য করার ভয়াবহ অভিযোগ! ইমো কলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় অস্ত্রসহ দুইজন আটক, নান্দিয়ার বিলে নতুন করে সংঘর্ষের শঙ্কা ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী আটক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এর সাথে আলোকিত পাঠশালার শিক্ষকদের সাক্ষাৎ হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মশাল মিছিল পুনাকের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খেলাধুলা সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক শক্তিশালী বন্ধন: এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ইবির সেই হলের পুকুর ব্যবহার না করার অনুরোধ প্রশাসনের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জয়ের নিয়ন্ত্রণে অবৈধ বালুর সাম্রাজ্য! নম্বর ও পাসের প্রলোভনে ছাত্রদের সাথে সমকামিতায় বাধ্য করার ভয়াবহ অভিযোগ! ইমো কলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় অস্ত্রসহ দুইজন আটক, নান্দিয়ার বিলে নতুন করে সংঘর্ষের শঙ্কা ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী আটক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এর সাথে আলোকিত পাঠশালার শিক্ষকদের সাক্ষাৎ হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মশাল মিছিল পুনাকের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খেলাধুলা সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক শক্তিশালী বন্ধন: এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ইবির সেই হলের পুকুর ব্যবহার না করার অনুরোধ প্রশাসনের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জয়ের নিয়ন্ত্রণে অবৈধ বালুর সাম্রাজ্য! নম্বর ও পাসের প্রলোভনে ছাত্রদের সাথে সমকামিতায় বাধ্য করার ভয়াবহ অভিযোগ! ইমো কলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় অস্ত্রসহ দুইজন আটক, নান্দিয়ার বিলে নতুন করে সংঘর্ষের শঙ্কা ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী আটক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এর সাথে আলোকিত পাঠশালার শিক্ষকদের সাক্ষাৎ হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মশাল মিছিল পুনাকের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খেলাধুলা সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক শক্তিশালী বন্ধন: এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ইবির সেই হলের পুকুর ব্যবহার না করার অনুরোধ প্রশাসনের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জয়ের নিয়ন্ত্রণে অবৈধ বালুর সাম্রাজ্য! নম্বর ও পাসের প্রলোভনে ছাত্রদের সাথে সমকামিতায় বাধ্য করার ভয়াবহ অভিযোগ! ইমো কলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় অস্ত্রসহ দুইজন আটক, নান্দিয়ার বিলে নতুন করে সংঘর্ষের শঙ্কা ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী আটক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এর সাথে আলোকিত পাঠশালার শিক্ষকদের সাক্ষাৎ হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মশাল মিছিল পুনাকের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খেলাধুলা সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক শক্তিশালী বন্ধন: এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ইবির সেই হলের পুকুর ব্যবহার না করার অনুরোধ প্রশাসনের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জয়ের নিয়ন্ত্রণে অবৈধ বালুর সাম্রাজ্য! নম্বর ও পাসের প্রলোভনে ছাত্রদের সাথে সমকামিতায় বাধ্য করার ভয়াবহ অভিযোগ! ইমো কলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় অস্ত্রসহ দুইজন আটক, নান্দিয়ার বিলে নতুন করে সংঘর্ষের শঙ্কা ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী আটক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এর সাথে আলোকিত পাঠশালার শিক্ষকদের সাক্ষাৎ হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মশাল মিছিল পুনাকের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খেলাধুলা সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক শক্তিশালী বন্ধন: এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ইবির সেই হলের পুকুর ব্যবহার না করার অনুরোধ প্রশাসনের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জয়ের নিয়ন্ত্রণে অবৈধ বালুর সাম্রাজ্য! নম্বর ও পাসের প্রলোভনে ছাত্রদের সাথে সমকামিতায় বাধ্য করার ভয়াবহ অভিযোগ! ইমো কলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় অস্ত্রসহ দুইজন আটক, নান্দিয়ার বিলে নতুন করে সংঘর্ষের শঙ্কা ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী আটক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এর সাথে আলোকিত পাঠশালার শিক্ষকদের সাক্ষাৎ হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মশাল মিছিল পুনাকের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খেলাধুলা সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক শক্তিশালী বন্ধন: এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ইবির সেই হলের পুকুর ব্যবহার না করার অনুরোধ প্রশাসনের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও জয়ের নিয়ন্ত্রণে অবৈধ বালুর সাম্রাজ্য! নম্বর ও পাসের প্রলোভনে ছাত্রদের সাথে সমকামিতায় বাধ্য করার ভয়াবহ অভিযোগ! ইমো কলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় অস্ত্রসহ দুইজন আটক, নান্দিয়ার বিলে নতুন করে সংঘর্ষের শঙ্কা ভেড়ামারায় গাঁজাসহ নারী আটক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এর সাথে আলোকিত পাঠশালার শিক্ষকদের সাক্ষাৎ হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মশাল মিছিল পুনাকের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খেলাধুলা সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক শক্তিশালী বন্ধন: এমপি ফরিদা ইয়াসমিন ইবির সেই হলের পুকুর ব্যবহার না করার অনুরোধ প্রশাসনের

পর্যটন

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ কুষ্টিয়া : বাংলার শতাব্দীপ্রাচীন প্রকৌশল বিস্ময় ও ঐতিহাসিক সেতুবন্ধ

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ৩ই ফেব্রুয়ারি ২০০০, ৮:৬ পিএম

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ কুষ্টিয়া : বাংলার শতাব্দীপ্রাচীন প্রকৌশল বিস্ময় ও ঐতিহাসিক সেতুবন্ধ

একদিকে প্রকৃতির অনবদ্য সৌন্দর্য, অন্যদিকে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানবসভ্যতার প্রকৌশল দক্ষতার এক অনন্য নিদর্শন—হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা এবং উত্তরঞ্চলের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশি এলাকার সংগমস্থলে পদ্মা নদীর বিশাল বুক চিরে বীরদর্পে দাঁড়িয়ে আছে এই ঐতিহাসিক রেলসেতুটি। সময়ের বিবর্তনে পদ্মার খরস্রোতা রূপ ও ঢেউয়ের উচ্ছ্বাস কিছুটা ম্লান হলেও হার্ডিঞ্জ ব্রিজের গৌরব, দৃঢ়তা ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিন্দুমাত্র কমোয়নি। এটি আজও দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন রেল যোগাযোগের অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে চলেছে। ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে আধুনিক বাংলাদেশ পর্যন্ত এই সেতুটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে রয়েছে।

Construction of Hardinge Bridge 1910, হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নির্মাণ কাজ ১৯১০
Construction of Hardinge Bridge 1910, ব্রিজের নির্মাণ কাজ ১৯১০

ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি

হার্ডিঞ্জ ব্রিজটি ঠিক কোথায় অবস্থিত এবং এর আশপাশের ভূপ্রকৃতি কেমন, তা অনুধাবন করা এর কৌশলগত গুরুত্ব বোঝার জন্য অত্যন্ত জরুরি। পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশি রেলস্টেশনের দক্ষিণ পার্শ্বে এবং কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার মধ্যে বিস্তৃত। ভৌগোলিক স্থানাঙ্কের দিক থেকে এটি ২৪°০৪′০৪″ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০১′৪৫″ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে।

পদ্মা নদী এখানে অত্যন্ত প্রশস্ত এবং এর তলদেশের পলিমাটি ও জলপ্রবাহের গতিপ্রকৃতি ব্রিটিশ আমলের প্রকৌশলীদের কাছে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ ছিল। বর্ষাকালে পদ্মার উদ্দাম রূপ এবং শুষ্ক মৌসুমে নাব্য সংকট—এই দুই বিপরীত পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই সেতুটির মূল অবকাঠামো দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেতুটির দু’পারের সংযোগস্থল অর্থাৎ পাকশি এবং ভেড়ামারা উভয় এলাকাই রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জংশন ও ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে পরিচিত।

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণের ঐতিহাসিক পটভূমি (১৮৮৯–১৯০৮)

হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ইতিহাস কেবল একটি সেতু নির্মাণের ইতিহাস নয়, এটি মূলত ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তির বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ এবং যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে এসে ব্রিটিশ ভারত সরকার বুঝতে পেরেছিল যে আসাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড এবং তৎকালীন উত্তরবঙ্গের সাথে কলকাতার সরাসরি ও দ্রুত রেল যোগাযোগ স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের কৃষিজাত পণ্য, চা এবং অন্যান্য সম্পদ সহজে সমুদ্রবন্দরে ও রাজধানীতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পদ্মার ওপর একটি স্থায়ী রেলসেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হয়।

  • প্রাথমিক প্রস্তাবনা (১৮৮৯): অবিভক্ত ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সর্বপ্রথম ১৮৮৯ সালে পদ্মা নদীর ওপর একটি রেলসেতু নির্মাণের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
  • দীর্ঘ পরিকল্পনা ও অনুমোদন: নানা ধরনের কারিগরি জটিলতা, নদীর গতিপ্রকৃতি নিয়ে গবেষণা এবং অর্থনৈতিক হিসাব-নিকাশের কারণে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হতে প্রায় দুই দশক সময় লেগে যায়। অবশেষে ১৯০৮ সালে এসে ব্রিটিশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই বহুমুখী ও ব্যয়বহুল সেতু নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করে।
  • প্রকৌশলীর দায়িত্বভার: সেতুটির প্রাথমিক পরিকল্পনা ও নকশা প্রণয়নের জন্য সেকালের প্রখ্যাত ব্রিটিশ প্রকৌশলী স্যার রবার্ট গেইলস এবং পরবর্তীতে বিখ্যাত প্রকৌশলী স্যার আলেকজান্ডার মেয়াডোস রেন্ডেল-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানেই এই মহাপ্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের পথে এগায়।

 

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, Hardinge Bridge
হার্ডিঞ্জ-ব্রিজ, Hardinge Bridge

 

নির্মাণযজ্ঞ, প্রকৌশলী এবং ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জসমূহ (১৯০৯–১৯১৫)

১৯০৯ সালে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের মূল নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়, যা ১৯১৫ সালে গিয়ে সম্পূর্ণ হয়। বিশ শতকের শুরুর দিকে আধুনিক প্রযুক্তির অভাব সত্ত্বেও ব্রিটিশ প্রকৌশলীরা যেভাবে পদ্মার মতো খরস্রোতা নদীর বুকে এই সেতু নির্মাণ করেছিলেন, তা প্রকৌশল বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

  • শ্রমিকদের অবদান: ঐতিহাসিক এই সেতুটি নির্মাণের নেপথ্যে ছিল প্রায় ২৪,৪০০ জন দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ঘাম। চরম প্রতিকূল আবহাওয়া, নদীর তীব্র স্রোত এবং বিপজ্জনক কাজের পরিবেশেও তাঁরা দিনরাত কাজ করে গেছেন।
  • নির্মাণ ব্যয়: তৎকালীন সময়ের নিরিখে এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ছিল অত্যন্ত বিশাল। সেতুটি নির্মাণে মোট খরচ হয়েছিল ৩ কোটি ৫১ লাখ ৩২ হাজার ১৬৪ ভারতীয় রুপি।
  • নদীর শাসন ও গাইড ব্যাংক: পদ্মা নদীর ভাঙন থেকে সেতুটিকে রক্ষা করার জন্য এর উভয় তীরে বিশাল পরিসরে নদী শাসন বা ‘গাইড ব্যাংক’ (Sara Guide Banks) নির্মাণ করা হয়, যা প্রকৌশল বিদ্যার ইতিহাসে একটি নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছিল।

কারিগরি বৈশিষ্ট্য ও স্থাপত্যশৈলী

হার্ডিঞ্জ ব্রিজের স্থাপত্যশৈলী এবং কারিগরি মাপঝোক একে সাধারণ কোনো সেতুর চেয়ে অনেক বেশি উচ্চতায় স্থান দিয়েছে। এর প্রধান কারিগরি বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

  • মোট দৈর্ঘ্য: সেতুটির মোট দৈর্ঘ্য ১,৭৯৮.৩২ মিটার, যা ফুট হিসেবে প্রায় ৫,৮৯৪ ফুট (বা প্রায় ১.৮ কিলোমিটার)।
  • স্প্যানের সংখ্যা: এই সেতুটিতে মোট ১৫টি বিশাল লৌহনির্মিত স্প্যান রয়েছে। প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য বা ব্যবধান হলো ১২০ মিটার (প্রায় ৩৯৩ ফুট)।
  • রেলপথের বিন্যাস: সেতুটির ওপর দুটি ব্রড-গেজ রেললাইন (Broad-gauge railway line) স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ভারী ট্রেনগুলো নিরাপদ ও সুচারুভাবে চলাচল করতে পারে।
  • দৃঢ় অবকাঠামো: ইস্পাতের ট্রাস (Steel Truss) পদ্ধতিতে নির্মিত এই সেতুটির ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছিল নদীর গভীর তলদেশে শক্তিশালী কাইসন বা কুয়ার ভিত (Caisson Foundation) গেঁথে, যা প্রবল স্রোত ও ভূমিকম্পের মধ্যেও এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।

 

 

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, Hardinge Bridge
হার্ডিঞ্জ-ব্রিজ, Hardinge Bridge

 

শুভ উদ্বোধন ও ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের নামানুসারে নামকরণ

দীর্ঘ ছয় বছরের নিরলস প্রচেষ্টা শেষে ১৯১৫ সালের ৪ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঐতিহাসিক সেতুটি যান চলাচল তথা ট্রেন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সেতুটি চালুর সমসাময়িক সময়ে ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)। তাঁর সম্মানে এবং তাঁর নামানুসারেই এই সেতুর দাপ্তরিক নাম রাখা হয় “হার্ডিঞ্জ ব্রিজ”। উদ্বোধনের দিন থেকেই এটি পূর্ব বাংলার সাথে কলকাতার রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিপ্লব সাধন করে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও ধ্বংসযজ্ঞ (১৯৭১–১৯৭২)

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ কেবল অর্থনৈতিক বা যোগাযোগের প্রতীক নয়, এটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষীহা ইতিহাস এবং বীরত্বেরও এক নীরব সাক্ষী। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই সেতুটিকে সামরিক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করত। উত্তরবঙ্গ থেকে অস্ত্রশস্ত্র, রসদ এবং সেনা আনা-নেওয়ার জন্য তারা নিয়মিত এই সেতু ব্যবহার করায় এটি মিত্র বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।

  • বোমা হামলা ও ক্ষয়ক্ষতি: ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের শুরুর দিকে পাকিস্তানি বাহিনীর সামরিক চলাচল প্রতিহত করার জন্য মিত্র বাহিনীর বিমান থেকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ওপর বিমান আক্রমণ চালানো হয়। এই জোরালো বোমা হামলায় সেতুটির ১২ নম্বর স্প্যানটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে বা ধসে পড়ে পানিতে তলিয়ে যায়। এছাড়া ৯ নম্বর এবং ১৫ নম্বর স্প্যানগুলোও আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

  • যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা: স্প্যান ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ফলে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সাথে রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা পাকিস্তানি বাহিনীর রসদ সরবরাহ ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দেয় এবং বিজয়ের পথকে ত্বরান্বিত করে।

  • পুনর্নির্মাণ ও পুনরায় চালু: দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ব্রিটিশ সরকারের বিশেষ প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্ত অংশসমূহ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পুনঃনির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ মেরামত কাজ শেষে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর থেকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ দিয়ে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়, যা যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের পুনর্গঠনের একটি বড় অর্জন ছিল।

শতবর্ষ অতিক্রম এবং আধুনিক রেল যোগাযোগে অবদান

২০১৫ সালের ৪ মার্চ হার্ডিঞ্জ ব্রিজ তার গৌরবময় শতবর্ষ পূর্ণ করে। একটি শতাব্দী পার করে এসেও সেতুটি তার কাঠামোগত শক্তি ও উপযোগিতা বিন্দুমাত্র হারায়নি। বর্তমান যুগেও প্রতিদিন শত শত টন পণ্যবাহী মালগাড়ি এবং বহু দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ট্রেন এই সেতুর ওপর দিয়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে যাতায়াত করছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এই শতবর্ষী সেতুর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও কাঠামোগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে এর ঐতিহাসিক রূপ অক্ষুণ্ণ রেখেই আধুনিক রেল বহরের চাপ সামলানো সম্ভব হয়।

লালন শাহ সেতু ও পর্যটনের নতুন দিগন্ত

হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ঐতিহাসিক গুরুত্বের পাশাপাশি বর্তমান সময়ে এটি দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কুষ্টিয়া ও পাবনার সীমান্তবর্তী এই এলাকায় প্রতিদিন শত শত ভ্রমণপিপাসী ও ইতিহাসপ্রেমী ভিড় জমান।

  • লালন শাহ সেতু (২০০৪): হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ঠিক পাশেই (মাত্র কয়েক গজ দূরে) ২০০৪ সালে একটি আধুনিক সড়কসেতু নির্মিত হয়। কুষ্টিয়ার বিশ্ববিখ্যাত বাউল সাধক ফকির লালন শাহের নামানুসারে এই সড়কসেতুর নামকরণ করা হয় “লালন শাহ সেতু”।

  • যুগল সেতুর রূপ: একই নদীর বুকে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা এই দুটি সেতু—একটি শতবর্ষী রেলসেতু (হার্ডিঞ্জ ব্রিজ) এবং অন্যটি আধুনিক সড়কসেতু (লালন শাহ সেতু)—মিলে এক অপূর্ব ও দৃষ্টিনন্দন ল্যান্ডস্কেপ তৈরি করেছে। লাল রঙের শৈল্পিক কারুকার্যে মোড়ানো হার্ডিঞ্জ ব্রিজের স্থাপত্যশৈলী যেকোনো পর্যটকের মন কেড়ে নেয়।

  • নৌভ্রমণ ও সূর্যাস্ত: পর্যটকরা সাধারণত পাকশি বা ভেড়ামারা প্রান্ত থেকে ছোট নৌকায় চড়ে পদ্মার বুকে ভেসে বেড়ান এবং দুই সেতুর অনন্য স্থাপত্য একসঙ্গে উপভোগ করেন। বিশেষ করে গোধূলি লগ্নে বা সূর্যাস্তের সময় পদ্মার পানিতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ছায়া পড়ার দৃশ্য এক মায়াবী পরিবেশের সৃষ্টি করে।

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ সম্পর্কিত তথ্যপঞ্জি (Summary Table)

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ সম্পর্কে একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ নিচে একটি কাঠামোগত টেবিলে তুলে ধরা হলো:

বিষয়তথ্য
অফিসিয়াল নামহার্ডিঞ্জ ব্রিজ (Hardinge Bridge)
অবস্থানপাকশি (পাবনা) থেকে ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া), বাংলাদেশ
নদীর নামপদ্মা নদী
প্রধান ব্যবহারব্রড-গেজ রেললাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল
মোট দৈর্ঘ্য১,৭৯৮.৩২ মিটার (প্রায় ৫,৮৯৪ ফুট বা ১.৮ কিলোমিটার)
স্প্যানের সংখ্যা১৫টি স্প্যান (প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১২০ মিটার)
নির্মাণকাজ শুরু১৯০৯-১৯১০ খ্রিস্টাব্দ
উদ্বোধনের তারিখ৪ মার্চ ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ
নকশাকার ও প্রকৌশলীস্যার আলেকজান্ডার মেয়াডোস রেন্ডেল ও স্যার রবার্ট গেইলস
নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানবৃথওয়ায়েট ও কির্ক (Braithwaite & Kirk)
নির্মাণ ব্যয়৩ কোটি ৫১ লাখ ৩২ হাজার ১৬৪ ভারতীয় রুপি
শ্রমিক সংখ্যাপ্রায় ২৪,৪০০ জন
মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতি১৯৭১ সালে ১২ নম্বর স্প্যান ধ্বংস এবং ৯ ও ১৫ নম্বর স্প্যান ক্ষতিগ্রস্ত
পুনরায় চালু১২ অক্টোবর ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ
শতবর্ষ পূর্তি২০১৫ খ্রিস্টাব্দ
রক্ষণাবেক্ষণবাংলাদেশ রেলওয়ে
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, Hardinge Bridge
হার্ডিঞ্জ-ব্রিজ, Hardinge Bridge

মূল বিষয়গুলো একনজরে

  • হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বাংলাদেশের পাবনার ঈশ্বরদী (পাকশি) থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পর্যন্ত পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত একটি শতবর্ষী ঐতিহাসিক রেলসেতু।
  • ১৯০৯ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ১৯১৫ সালের ৪ মার্চ সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় এবং তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়।
  • সেতুটির মোট দৈর্ঘ্য ১,৭৯৮.৩২ মিটার এবং এতে ১৫টি বিশাল লৌহনির্মিত স্প্যান রয়েছে, যার ওপর দুটি ব্রড-গেজ রেললাইন স্থাপন করা হয়েছে।
  • ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মিত্র বাহিনীর বোমা হামলায় এর ১২ নম্বর স্প্যান ধসে পড়েছিল, যা পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের অক্টোবর মাসে মেরামত করে পুনরায় চালু করা হয়।
  • ২০০৪ সালে এর পাশেই ‘লালন শাহ সেতু’ নামে একটি সড়কসেতু নির্মিত হওয়ায় বর্তমানে এই এলাকাটি দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

প্রশ্ন ১: হার্ডিঞ্জ ব্রিজ কোন নদীর ওপর অবস্থিত এবং এটি কোন দুটি জেলাকে সংযুক্ত করেছে?

উত্তর: হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত এবং এটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলাকে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার সাথে সংযুক্ত করেছে।

প্রশ্ন ২: হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নামকরণ কার নামানুসারে করা হয়েছে?

উত্তর: ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের নামানুসারে এই সেতুর নামকরণ করা হয়েছে।

প্রশ্ন ৩: হার্ডিঞ্জ ব্রিজের মোট দৈর্ঘ্য কত এবং এতে কয়টি স্প্যান রয়েছে?

উত্তর: হার্ডিঞ্জ ব্রিজের মোট দৈর্ঘ্য ১,৭৯৮.৩২ মিটার (প্রায় ১.৮ কিলোমিটার) এবং এতে ১২০ মিটার দীর্ঘ মোট ১৫টি স্প্যান রয়েছে।

প্রশ্ন ৪: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কী ধরনের ক্ষতি হয়েছিল?

উত্তর: মুক্তিযুদ্ধের সময় বিমান হামলায় সেতুটির ১২ নম্বর স্প্যানটি সম্পূর্ণ ভেঙে নদীতে পড়ে যায় এবং ৯ ও ১৫ নম্বর স্প্যান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে মেরামত করা হয়।

প্রশ্ন ৫: হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ঠিক পাশেই কোন সড়কসেতুটি অবস্থিত?

উত্তর: হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ঠিক পাশেই ২০০৪ সালে ‘লালন শাহ সেতু’ নামক একটি আধুনিক সড়কসেতু নির্মিত হয়েছে।

মন্তব্য