কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

সহানুভূতিশীল কেউ মরনোত্তর কিডনি দান করলেই বেচে যেতে পারে তার জীবন

মিরপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া ইউনিয়নের রানাখড়িয়া হাজী আহম্মদ আলীজান মাদ্রাসার ছাত্র ও নওদাশামুখিয়া গ্রামের জহুরুল কবিরাজের পুত্র আকিব আহমেদ (১৮) এর দুইটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। কোন সহানুভূতিশীল, মরনোত্তর অথবা ব্রেনডেথ কিডনি দাতা যদি একটি কিডনি দান করেন,তবে বেচে যেতে পারে তার জীবন। তার রক্তের গ্রুপ বি পজেটিভ। আকিব আহম্মেদ জানান-মানুষের জীবদ্দশায় ১টি কিডনি নিয়েও বেচে থাকতে পারে।

আবার কেউ যদি মরণত্তর কিডনি দান অথবা সহানূভুতিশীল হয়ে কিডনি দান করতে চান তবে তার মোবাইল নং ০১৭৫৮১৭৪৭৫১ যোগাযোগ করার অনুরোধ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সার্জনরা গত বুধবার রাতে ব্রেন ডেড এক রোগীর ২টি কিডনি ২ জন পৃথক কিডনি রোগীর শরীরে সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেছেন। ক্লিনিক্যালি ডেড ঘোষণা করা ২০ বছর বয়সী রোগী সারা ইসলামের কাছ থেকে এই কিডনি নিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন ওই রোগীর অঙ্গ দানের তার মা সম্মতি দিয়েছিলেন।বিএসএমএমইউয়ের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান দুলাল জানান, সারা ইসলামকে ৪ দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।তিনি বলেন, ‘আমরা এটাকে বলেছি ক্যাডেভারিক অর্গান ডোনার ট্রান্সপ্লান্টেশন। আমাদের দেশে এই প্রথম এমন ট্রান্সপ্লান্ট করা হলো। কিডনি প্রতিস্থাপন করা ২ জন রোগীই ভালো আছেন।’বাংলাদেশে ১৯৮২ সালে জীবিত দাতার কাছ থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন শুরু হয়। তবে ব্রেন ডেড রোগীর কিডনি নেওয়ার বিষয়ে আইনি সীমাবদ্ধতা ছিল।২০১৮ সালে আত্মীয়দের সম্মতিতে ব্রেন ডেড রোগীর অঙ্গ সংগ্রহের অনুমতি দিয়ে অঙ্গ দান আইন সংশোধন করা হয়।

Tags :

Desk Reporter

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর