ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজে পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজে পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মে ১৮, ২০২৬

ভেড়ামারা প্রতিনিধি ॥ ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজে পবিত্র কোরআনের আয়াত অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ও গণঅসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। গত ৫ই আগস্টের পর কলেজের একটি ম্যুরালে শোভা পাচ্ছিল পবিত্র কোরআনের আয়াত। কিন্তু অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে সেই আয়াতগুলো মুছে ফেলায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে।

কলেজের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, দু’জন শিক্ষকের সরাসরি তদারকিতে ম্যুরাল থেকে পবিত্র কোরআনের আয়াতগুলো পরিকল্পিতভাবে সরিয়ে ফেলা হয়। কোনো প্রকার প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত কিংবা সাধারণ শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই স্বৈরাচারী কায়দায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার এই হীন প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরপরই কলেজের সাধারণ শিক্ষকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করেছেন।

প্রতিবাদী শিক্ষকদের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেখানে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা হওয়ার কথা, সেখানে একদল কুচক্রী মহল পবিত্র কোরআনের আয়াত মুছে ফেলে চরম সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়েছেন। এটি কেবল একটি দেয়াল চিত্র পরিবর্তন নয়, বরং কোটি মানুষের আস্থার প্রতীক আল-কোরআনের অবমাননা। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর মাবরুল আলম দাবি করছেন, তারা বিষয়টি সম্পর্কে আগে থেকে অবগত ছিলেন না।

খতিয়ে দেখে তিনি খুব দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয় মসজিদের ইমাম মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, সরকারি মহিলা কলেজে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিতেই পরিকল্পিতভাবে পবিত্র কোরআন অবমাননা করা হয়েছে। খুব দ্রুত কোরআনের ম্যুরাল যথাস্থানেই প্রতিস্থাপিত না হলে সর্বসাধারণ মানুষ রাজপথে নামবে। বিক্ষুব্ধ শিক্ষক ও স্থানীয় তৌহিদী জনতা অবিলম্বে ওই ম্যুরালে পূর্ণ সম্মানের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের ছবি ও আয়াত পুনর্বহালের জোরালো দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তোলা হয়েছে।