কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ভেড়ামারায় তুচ্ছ ঘটনায় ইমামকে পেটালো সন্ত্রাসীরা

ভেড়ামারা প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় তুচ্ছ ঘটনায় ইমাম ছাবেদুল ইসলাম কে পিটালো এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। মুমুর্ষ অবস্থায় তাকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ট করা হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সে ভেড়ামারা সাতবাড়ীয়া গোরস্থান জামে মসজিদ’র ইমাম এবং মক্তবের শিক্ষক। স্থানীয়রা জানায়, গত ৩০ অক্টোবর সকালে সাতবাড়ীয়া গোরস্থান জামে মসজিদ মক্তবে বাচ্চাদের কোরআন শরীফ শিক্ষা কেন্দ্রে শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্য বিরোধ দেখা দেয়। এ বিষয়টি ইমাম ছাবেদুল ইসলামের দৃষ্টি গোচর হলে উভয় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ডেকে মিমাংসা করে দেন। এর পর থেকে স্বাভাবিক ভাবেই চলছিল মক্তবের নিয়মিত পাঠদান।

হঠাৎ করেই গত সোমবার সকাল ৭টায় ক্লাস চলাকালীন সময়ে ওই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মৃত নবীর শেখের পুত্র মখলেস, মৃত আফতাব আলীর পুত্র শামীম উভয়ই যোগসাজশ করে পরিকল্পিতভাবে মক্তবের ভিতরে ঢুকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তাদের গালিগালাজ করতে নিষেধ করা হলে তারা আচমকা মারপিট শুরু করে। মুখে, পিঠে, বুকে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার চেষ্টা করে। এসময় ইমামের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে ইমাম কে উদ্ধার করে দ্রুত ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হলে তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর বেডে শুয়ে যন্ত্রনায় কাতরানো ইমাম ছাবেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তুচ্ছ ঘটনায় ওই সন্ত্রাসীরা আমাকে মেরেছে। তারা পরিকল্পনা করে আমাকে হত্যা করতে এসেছিল। এ অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে আমি ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছি।

Tags :

Desk Reporter

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর