খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ই মে ২০২৩, ১০:৫৮ পিএম

কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার খাইরুল আলমের নির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে গত ২৩ মে কুষ্টিয়া সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট ও দৌলতপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে অপহরন মামলার এজাহার নামীয় আসামী জজ হোসেন (২৬) কে আটক করে এবং ভিকটিম নুসরাত জাহান চৈতীকে আসামীর নিকট হতে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোছাঃ নুসরাত জাহান চৈতি (১৫) কে স্কুলে যাতায়াতের পথে আসামী জজ হোসেন তাকে প্রেম ভালোবাসার প্রস্তাব দিয়ে উত্যাক্ত করত। প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় আসামী জজ হোসেন তাকে অপহরন করবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে। এরই জের ধরে গত ২৬ এপ্রিল জজ এবং অন্যান্য আসামীদের সহায়তায় নুসরাতকে একটি মাইক্রোবাসে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মুখ চেপে জোর করে অসৎ উদ্দেশ্যে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রাখে।
পরিবার থেকে সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করে কোথাও না পাওয়া গেলে গত ২ মে নুসরাত জাহানের বাবা মোঃ নাজমুল হাসান, পিতা-মোঃ সেকুল ইসলাম, সাং- জামালপুর ত্রিমোহনী পাড়া ইউপি- প্রাগপুর, থানা- দৌলতপুর, বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
যাহার দৌলতপুর থানার মামলা নং-০৫, তারিখ ০২/০৫/২৩, ধারা- ৭/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন/২০১৮ইং রুজু হয়।
মামলার আসামীরা হলেন, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার জামালপুর এলাকার আলতাফ হোসেনের পুত্র ১) জজ হোসেন(২৬), ২) রোকন হোসেন(২৩) ও মৃত সোবাহান মন্ডলের পুত্র আলতাফ হোসেন(৫৫)।
বিষয়টি অবগত হওয়ার পর পুলিশ সুপার খাইরুল আলমের নির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে গত ২৩মে কুষ্টিয়া সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট ও দৌলতপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা জেলার সাভার থানা এলাকা হতে ১নং আসামী জজ হোসেনকে গ্রেফতার করে এবং ভিকটিম নুসরাত জাহান চৈতীকে আসামীর নিকট হতে উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য