কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালী সরকারি কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক পর্ব এবং রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
গতকাল শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে কলেজের একাডেমিক ভবনে শিক্ষক পরিষদের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কুমারখালী সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল মালেক এর সভাপতিত্বে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কুমারখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বিনয় কুমার সরকার, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ও বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জিল্লুর রহমান বিশ্বাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শবনম মুস্তারি,ইসলামের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মশিউর রহমান, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আবুল কলাম,মার্কেটিং বিভাগের সহকারি অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম।
এ ছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী শামীম হোসেন ও আমানুর রহমান মাহিন। ছাত্রসংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হৃদয় হোসেন ও ছাত্রনেতা কামরুজ্জামান সওয়াদসহ অন্যরা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোছা. লুৎফুন্নাহার এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক জহুরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও পবিত্র গীতা পাঠ করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঘটনাবহুল দিন। এ দিনকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে স্মরণ করা হয়। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ দিনের ঘটনাপ্রবাহ, জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের চেতনা নিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ইতিহাসচর্চা ও সচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতেও এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আলোচনা সভা শেষে জাতীয় জীবনে ‘বিপ্লব ও সংহতি’ দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কলেজের বিভিন্ন পর্যায়ের ছাত্রনেতারা উপস্থিত ছিলেন।









