খোকসা প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার খোকসায় মারধরের অভিযোগে ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছে পিতা। সোমবার রাতে পিতা অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ছেলে মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। আটক মোঃ হাফিজুর রহমান (৫৫) খোকসা পৌর এলাকার থানাপাড়ার মোঃ হাবিবুর রহমানের ছেলে। সে হাবিবুর রহমানের বড় ছেলে।
খোকসা থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, আসামী হাফিজুর রহমান সংসারে কোন কাজকর্ম করে না এবং বিভিন্ন সময় টাকা জন্য বাড়ী ঘরে জিনিসপত্র ভাংচুর করে সংসারের অশান্তি সৃষ্টি করে। পিতা হাবিবুর রহমান টাকা না দিলে তাকে মারধর করাসহ বিভিন্ন রকম প্রাণ নাশের হুমকি ধামকি প্রদান করে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক দুইটা দশ মিনিটের দিকে খোকসা থানাধীন অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক হাবিবুর রহমান তার বসত বাড়ীতে ছিল। বাদীর নাতিন বাড়ীতে না থাকায় আসামী হাফিজুর তার ঘরে প্রবেশ করে ড্রয়ার থেকে ৫’শত টাকা নিয়ে নেয়।
পরবর্তীতে বাদী হাবিবুর রহমানের নাতিন বাড়ীতে এসে দেখে যে, তার ঘরে ড্রয়ার কাপড় এলোমেলে যা অবস্থায় পড়ে আছে। বাদীর নাতিন বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘরে কাপড় এই অবস্থায় কেন। তখন বাদী আসামী মোঃ হাফিজুর রহমানকে বলে তুই টাকা নিয়েছিস দিয়ে দে। তখন আসামী হাফিজুর রহমান বাদী পিতা অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক হাবিবুর রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। বাদী আসামীকে গালিগালাজ করিতে নিষেধ করিলে আসামীর মোঃ হাফিজুর রহমান তার হাতে থাকা লোহার পাইপ দিয়ে বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করিতে গেলে বাদী উক্ত আঘাত হাত দিয়ে ঠেকালে বাম হাতে আঘাত লাগিয়া হাড়ভাঙ্গা গুরুতর জখম প্রাপ্ত হয়।
বাদী আসামীর হাতে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে ডাক-চিৎকার করিলে পূনরায় লোহার রড দিয়ে বাদীর শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করিয়া নিলোফোলা জখম করে। বাদী আসামীর হাতে মার খেয়ে মাটিতে পরে গিয়ে ডাক চিৎকার করতে থাকলে আশেপাশের লোকজন বাদীকে আসামীর হাত থেকে রক্ষা করে পাখি ভ্যান যোগে খোকসা উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। এবিষয়ে খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মোশারফ হোসেন বলেন, পিতাকে মারধর করার অভিযোগে ছেলে মো: হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।









