জাল ব্যান্ডরোলে রাজস্ব ফাঁকি
ঢাকা অফিস ॥ দেশের বৈধ সিগারেট বাজারের আড়ালে গড়ে উঠেছে নকল সিগারেট, জাল ও পুনর্ব্যবহৃত ব্যান্ডরোল এবং চোরাচালানি তামাকপণ্যের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। আর এই অবৈধ বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কুষ্টিয়ার নাম উঠে এসেছে সংশ্লিষ্ট গবেষণা ও বিভিন্ন সরকারি সংস্থার নজরদারি-সংক্রান্ত তথ্যে। কুষ্টিয়ার পাশাপাশি পাবনা, নাটোর, মানিকগঞ্জ, বগুড়া ও রংপুরকেও দেশীয় অবৈধ তামাকপণ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এসব অঞ্চলে নকল বা পুনর্ব্যবহৃত ট্যাক্স স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগ রয়েছে। ফলে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে বৈধ সিগারেট উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীদের জন্যও তৈরি হচ্ছে অসম প্রতিযোগিতার পরিবেশ।
এমন পরিস্থিতিতে তামাক খাতে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। কাঁচা তামাকপাতা সংগ্রহ থেকে শুরু করে উৎপাদন, ব্যান্ডরোল ব্যবহার, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং খুচরা বাজার—প্রতিটি ধাপকে নজরদারির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও গবেষণার তথ্যে কুষ্টিয়াকে দেশের অবৈধ সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাতের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই তালিকায় রয়েছে পাবনা, নাটোর, মানিকগঞ্জ, বগুড়া ও রংপুর।
তথ্য অনুযায়ী, এসব অঞ্চলে নকল বা পুনর্ব্যবহৃত ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে ‘ব্ল্যাক’, ‘পদ্মা’, ‘রকেট’, ‘পার্টনার’, ‘টপ টেন’সহ ৬৭টিরও বেশি ব্র্যান্ডের অবৈধ সিগারেট উৎপাদনের অভিযোগ রয়েছে। তবে কুষ্টিয়ায় ঠিক কতটি কারখানা বা কোন কোন স্থানে এ ধরনের উৎপাদন হচ্ছে, তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা বা তালিকা প্রকাশ্যে না থাকায় বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ে আরও অনুসন্ধান ও সরকারি যাচাই প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কুষ্টিয়াকে কেন্দ্র করে অবৈধ সিগারেটের এমন অভিযোগের গুরুত্ব আরও বেড়েছে জেলার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে। কুষ্টিয়া থেকে পাবনা, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সহজে পণ্য পরিবহনের সুযোগ রয়েছে। ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অবৈধ তামাকপণ্য বৃহত্তর বাজারে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ১১ আগস্ট মানিকগঞ্জের শিবালয়ে ‘বিউটি টোব্যাকো’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে পুলিশ ও কাস্টমসের যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ‘কিং ব্ল্যাক’, ‘ডি অ্যান্ড জি’, ‘ডলার’, ‘সেনর গোল্ড’ ও ‘বার্বি’ ব্র্যান্ডের ৩ লাখ ৭০ হাজার শলাকা সিগারেট এবং ১৩ হাজার ট্যাক্স স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাইয়ে ৯০ হাজার শলাকা সিগারেটে নকল ব্যান্ডরোল এবং ১৩ হাজার পিস অব্যবহৃত নকল ব্যান্ডরোলের উপস্থিতি পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা শুল্ক-কর ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
এর আগে ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর পাবনার ঈশ্বরদীর ইউনাইটেড টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছিল ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ওই অভিযানে ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৫৯০ শলাকা জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট এবং ১০ লাখ ২৯ হাজার পিস অব্যবহৃত জাল ব্যান্ডরোল জব্দ করা হয়। একাধিক অভিযানের এসব ঘটনা থেকে তামাকপণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাত ব্যবস্থায় ব্যান্ডরোল জালিয়াতির ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এসেছে।
এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব ফাঁকি ও জাল ব্যান্ডরোল চক্রের বিরুদ্ধে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৮ হাজার অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অন্যদিকে ওই অর্থবছরে সিগারেট খাত থেকে মোট ৪৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে এনবিআর। এর মধ্যে বৃহৎ করদাতা ইউনিট (ভ্যাট) থেকেই এসেছে ৪৩ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা।
পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি বছরই সিগারেট খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ খাত থেকে রাজস্ব এসেছে ৪০ হাজার ৪১১ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩৭ হাজার ৯১৫ কোটি, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩২ হাজার ৮১৬ কোটি, ২০২১-২২ অর্থবছরে ২৯ হাজার ৬৫৪ কোটি এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৭ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছিল। তবে রাজস্ব আদায়ের এই বড় অঙ্কের বিপরীতে অবৈধ বাজারের কারণে আরও বিপুল অর্থ সরকারের হাতছাড়া হচ্ছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিউরো অব ইকোনমিক রিসার্চ’ এবং ‘বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি’ (বিএনটিটিপি)-এর যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিগারেট বিক্রির কারণেই বছরে প্রায় ৫ হাজার ১৮২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছে। গবেষণা অনুযায়ী, অতিউচ্চ স্তরে ৫১০ কোটি ৩১ লাখ, উচ্চ স্তরে ১২৪ কোটি ৪০ লাখ, মধ্যম স্তরে ১ হাজার ৯২৫ কোটি ৫৮ লাখ এবং নিম্ন স্তরে ২ হাজার ৬২১ কোটি ২৪ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির হিসাব পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এর সঙ্গে নকল সিগারেট, জাল ও পুনর্ব্যবহৃত ব্যান্ডরোল এবং চোরাচালানি পণ্য যুক্ত করলে প্রকৃত রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে।
কুষ্টিয়াকে অবৈধ সিগারেটের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করার পর স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর দাবি উঠেছে। বিশেষ করে তামাকপাতা সংগ্রহ, স্থানীয় পর্যায়ে প্রক্রিয়াজাতকরণ, সিগারেট তৈরির উপকরণ সরবরাহ, ব্যান্ডরোল সংগ্রহ, গুদামজাতকরণ এবং পরিবহনের বিষয়গুলোকে একসঙ্গে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শুধু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নয়, অবৈধ সিগারেটের পাইকারি ও খুচরা বাজারেও অভিযান পরিচালনার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কারণ উৎপাদনস্থল শনাক্ত হলেও বাজারে এর সরবরাহ বন্ধ করা না গেলে অবৈধ বাণিজ্য পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
তামাক খাতে রাজস্ব সুরক্ষায় ইতোমধ্যে ১১ সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে এনবিআর। নিরীক্ষা গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আহ্বায়ক এবং এনবিআরের মূসক বাস্তবায়ন (পণ্য) শাখার দ্বিতীয় সচিবকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটিতে সিআইসি, কাস্টমস গোয়েন্দা, বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ-ভ্যাট) এবং ঢাকা পূর্ব, চট্টগ্রাম, রংপুর, যশোর, গাজীপুর ও রাজশাহী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা রয়েছেন। এই কমিটির আওতায় তামাকের কাঁচামাল থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পুরো সরবরাহ চেইন পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এনবিআরের নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২৭টি এনফোর্সমেন্ট টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কাস্টমস ও ভ্যাট কমিশনারেট থেকে পাঁচ সদস্যের টিম মাঠপর্যায়ে কাজ করবে। সংশ্লিষ্ট একজন এনবিআর সদস্যের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব টিম সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন বাজার, কারখানা ও খুচরা দোকানে অভিযান চালাবে। দিন ও রাতের অভিযান পরিচালনার জন্যও পৃথক প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় বিড়ি-সিগারেটের কারখানা রয়েছে, সেসব এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হবে। কুষ্টিয়াসহ চিহ্নিত ছয় অঞ্চলের জন্য এ উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
নতুন তদারকি ব্যবস্থায় শুধু তৈরি সিগারেট নয়, ‘গ্রিন লিফ প্রসেসিং’ বা কাঁচা তামাক প্রক্রিয়াজাতকরণ পর্যায় থেকেও নজরদারি শুরু করার কথা জানিয়েছে এনবিআর। এ ছাড়া সিগারেট তৈরির কাগজ আমদানি ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে। বর্তমানে দেশে সাতটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং দুটি স্থানীয় পেপার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে কোনো কারখানায় কত পরিমাণ তামাক, কাগজ, প্যাকেজিং সামগ্রী ও অন্যান্য কাঁচামাল প্রবেশ করছে এবং তার বিপরীতে কত পরিমাণ সিগারেট উৎপাদন হচ্ছে—এসব তথ্যও যাচাই করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ সিগারেট নিয়ন্ত্রণে শুধু কারখানায় অভিযান যথেষ্ট নয়। কুষ্টিয়ার শহর ও উপজেলা পর্যায়ের পাইকারি ও খুচরা বাজারেও নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি প্রয়োজন। কারণ নকল সিগারেটের উৎপাদন বন্ধ করার পাশাপাশি বাজারে এর ক্রেতা ও বিক্রেতার নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা না গেলে অবৈধ পণ্যের সরবরাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে দোকানদারদের সচেতন করার পাশাপাশি বৈধ ও অবৈধ পণ্যের পার্থক্য শনাক্তের ব্যবস্থা, ব্যান্ডরোল যাচাই এবং অভিযোগ জানানোর সহজ পদ্ধতি চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং বিএনটিটিপির কনভেনর অধ্যাপক ড. রুমানা হক বলেন, তামাকপণ্যের উৎপাদন থেকে বাজারজাত পর্যন্ত পুরো গতিপথ নজরদারিতে দ্রুত ট্র্যাকিং-ট্রেসিং এবং কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল প্রযুক্তি চালু করা প্রয়োজন। তার মতে, কেবল তামাক কোম্পানিগুলোর সরবরাহ করা তথ্যের ওপর নির্ভর না করে এনবিআরের নিজস্ব তথ্যভান্ডার ও মনিটরিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তামাকপাতা সংগ্রহ থেকে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের প্রতিটি ধাপের নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্লেষণ করা গেলে রাজস্ব ফাঁকি শনাক্ত করা সহজ হবে।
দেশীয় নকল সিগারেটের পাশাপাশি বিদেশি চোরাচালানি সিগারেটও দেশের বাজারে প্রবেশ করছে। চট্টগ্রাম, কর্ণফুলী চ্যানেল, টেকনাফ ও বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিভিন্ন বিদেশি ব্র্যান্ডের সিগারেট দেশে ঢুকে বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। ফলে কুষ্টিয়ার মতো অভ্যন্তরীণ বাজারে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত নকল সিগারেটের পাশাপাশি চোরাচালানি বিদেশি সিগারেটের প্রবেশ ঠেকানোও রাজস্ব সুরক্ষার অন্যতম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কুষ্টিয়াকে অবৈধ সিগারেট উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করার পর এখন মূল প্রশ্ন—জেলায় ঠিক কোথায় এসব পণ্য উৎপাদন বা মজুত হচ্ছে, কারা সরবরাহ করছে এবং কীভাবে তা বাজারে পৌঁছাচ্ছে? এ ছাড়া জাল বা পুনর্ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের উৎস কোথায়, কাঁচামাল কোথা থেকে আসছে এবং উৎপাদিত পণ্য কোন কোন বাজারে যাচ্ছে—এসব প্রশ্নের উত্তরও খুঁজে বের করা জরুরি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কুষ্টিয়ায় কার্যকর নজরদারি ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা গেলে শুধু অবৈধ সিগারেটের বাজার নিয়ন্ত্রণই নয়, সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব সুরক্ষাও সম্ভব হতে পারে। তবে শুধু অভিযান চালিয়ে সাময়িকভাবে অবৈধ কারবার বন্ধ নয়, এর পেছনের উৎপাদক, সরবরাহকারী, পরিবহনকারী ও বাজারজাতকারী পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং উৎপাদন থেকে বিক্রি পর্যন্ত একটি সমন্বিত ডিজিটাল নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলাকেই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।








