খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ই জুন ২০২৬, ২:৩০ এএম

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া জেলা পরিষদে কর্মরত গ্রেড-১১ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত কর্মচারীদের জন্য জেলা পরিষদের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন ও প্রধান অতিথি ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভার:) আব্দুল হাই সিদ্দিকী। প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষক হিসেবে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপ পরিচালক (উপসচিব) আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবদুল ওয়াদুদ, কুষ্টিয়া পৌর সভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম. সাইফুল্লাহ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী নাইমুর রহমান, প্রশাসনিক অফিসার নার্গিস পারভীন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, রাশেদুর রহমান প্রমুখ।
এসময় অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন বলেন, প্রশিক্ষণ হলো দক্ষতা উন্নয়নের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য অনেকাংশে নির্ভর করে তার জনবলের দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও পেশাগত সক্ষমতার উপর। বর্তমান সময়ে সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণকে দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে হলে কর্মচারীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মপরিবেশের মানোন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে বা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। প্রশাসক এর পক্ষ থেকে যেকোনো গঠনমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক কাজে সর্বদা সহযোগিতার হাত প্রসারিত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন উল্লেখ্য করে বলেন, করবো কাজ গরবো দেশ’ সবার আগে বাংলাদেশ, প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি তথা আমাদের পথচলা।
দেশ নায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে সরকার একটি স্মার্ট, দক্ষ ও সেবামুখী প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জেলা পরিষদের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে জনগণ আরও উন্নত সেবা পাবে এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি আরও সমৃদ্ধ হবে।
তিনি আরো বলেন, আমি প্রশিক্ষকবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যারা তাদের মূল্যবান জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা তিনদিনের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে তুলে ধরবেন। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সকল কর্মচারীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা মনোযোগসহকারে প্রতিটি সেশন অনুসরণ করবেন এবং অর্জিত জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করবেন।
কোনো সম্পর্কিত খবর পাওয়া যায়নি.
মন্তব্য