সকল তথ্য নথিভুক্ত করতে হবে এবং নিয়মিত গ্রাম্য আদালত বসাতে হবে: ডিসি এহেতেশাম রেজা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

সকল তথ্য নথিভুক্ত করতে হবে এবং নিয়মিত গ্রাম্য আদালত বসাতে হবে: ডিসি এহেতেশাম রেজা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জানুয়ারি ৩১, ২০২৪

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল এগারোটায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের  সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজেন উক্ত সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা।

সকল তথ্য নথিভুক্ত করতে হবে এবং নিয়মিত গ্রাম্য আদালত বসাতে হবে: ডিসি এহেতেশাম রেজা

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলার সকল ইউনিয়ন থেকে আগত পরিষদের সচিব ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা। সমন্বয় সভায় বিভিন্ন ইউনিয়নের সচিব এবং উদ্যোক্তারা জন্ম ও মৃত্যুর নিবন্ধনের গুরুত্ব সম্পর্কে তুলে ধরে বলেন, নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করতে হবে। সকল সচেতন মানুষেরই দায়িত্ব নবজাত শিশুর জন্ম নিবন্ধনের জন্য শিশুর অভিভাবককে পরামর্শ প্রদান করা। যে সকল ব্যক্তি এখনো জন্ম নিবন্ধন করেননি তাদের কে অবিলম্বে জন্ম নিবন্ধনের পরামর্শ প্রদান করা সকলেরই কর্তব্য। জন্ম নিবন্ধের পাশাপাশি মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও সচেতন থাকতে হবে। যে কোন মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে মৃত্যু নিবন্ধন করা আমাদের সকলের কর্তব্য। শুধুমাত্র জনপ্রতিনিধিগনই নয়, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী, মসজিদের খতিব-ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, গির্জার পাদ্রী, প্যাডোগার ভিক্ষু, এনজিও কর্মী, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের জনগনকেই এগিয়ে আসতে হবে। জন্ম ও মৃত্যুর নিবন্ধন শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। সময় মত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করলে অযথা দূভোর্গ বা বিড়ম্বনা থেকে অভিভাবকগন মুক্ত থাকতে পারবে। উক্ত সমন্বয় সভায় একবারের বেশী কারো জন্ম নিবন্ধন না কারার জন্য গুরুত্বারোপ করা সহ নাগরিক অধিকার সুরক্ষণ করার জন্য কোন ব্যক্তির মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে অবশ্যই তার মৃত্যুর নিবন্ধন নিশ্চিত কারার জন্যও গুরুত্ব দেওয়া হয়। আলোচনা কালে জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ও  ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, গত বছর থেকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সামগ্রিক উন্নয়ন হয়েছে।  গত বছরে আমাদের জেলায় জন্ম মৃত্যু নিবন্ধনের দিক দিয়ে আমরা সবার শেষে ছিলাম। কিন্তু এ বছর আমাদের অবস্থান সপ্তম। এজন্য  উপস্থিতি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব অন্যান্য কর্মকর্তা ও   কর্মচারীদেরকে ধন্যবাদ জানান। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, বাল্যবিবাহ সরকারের একটি সামাজিক আন্দোলন। বাল্যবিবাহের ক্ষতিকারক দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, বাল্য বিবাহ মাতৃ মৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারণ। তাই বাল্যবিবাহ বন্ধের বিষয় আপনারা ব্যক্তিগতভাবে এবং সামাজিকভাবে জনগণের ভিতরে সচেতনতা গড়ে তুলবেন। সমাজ পরিবর্তনে আমাদের সকলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। সরকারের যে কোন উন্নয়ন প্রকল্প জেলা থেকে সবশেষ ইউনিয়ন পরিষদ যায়। প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম্য আদালত ঐ এলাকার শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে  বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই গ্রাম্য আদালত অনেক আধুনিকায়ন হয়েছে। আমাদের জেলার গ্রাম আদালতের আধুনিকায়নের বিষয় কাজ চলছে। আমাদের গুরুত্ব সহকারে সকল তথ্য নথিভুক্ত করতে হবে এবং নিয়মিত গ্রাম্য আদালত বসাতে হবে।