বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মালিকানা সম্পত্তি ও সরকারী জমি দখল নিয়ে বিরোধের ঘটনায় আদালতের আদেশে মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি স্বার্থে থাকা জমিতে ব্যক্তিমালিকানার দাবি করা পক্ষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, কুমারখালী আমলি আদালতের মামলা নম্বর ১৯৬/২০২৬-এর বিষয়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। মামলাটি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছিল। আদালতের আদেশ গত ২৭/৮/২৬ উল্লেখ করা হয়, কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অধীন মহিষাখোলা মৌজার আরএস ১০৯/১ নম্বর খতিয়ানের ৫৯ নম্বর দাগসহ মোট ১৯টি দাগে ৩.৭২ একর জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
নথিতে ওই জমির ৫০০ অংশের ৫০০ অংশ বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়ার নামে ডিপি সম্পত্তি হিসেবে রেকর্ড প্রকাশিত থাকার কথা উল্লেখ রয়েছে। মামলার বাদী মোছা. শাম্মিয়ারা দাবি, তিনি সংশ্লিষ্ট জমি ক্রয় করেছেন। তবে সরকারি রেকর্ড ও ভূমি অফিসের প্রতিবেদনে জমিটির একটি অংশ সরকারি স্বার্থে রয়েছে বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি), কুমারখালী, কুষ্টিয়ার দাখিল করা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালত দেখতে পান, নালিশি জমির একটি অংশ সরকারি স্বার্থে রয়েছে।
আদালতের আদেশে ওই সরকারি সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অবশিষ্ট অংশের জমি নিয়ে ব্যক্তিমালিকানার দাবি থাকায় বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে বিবাদী পক্ষের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আদালত মামলাটি নিষ্পত্তি করেন। এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের বক্তব্য জানতে চাইলে মো. আব্দুর রশিদ বলেন এ বিষয়ে আমি আপনার সাথে পরে কথা বলছি। আদালতের আদেশের ফলে জমিটির সরকারি অংশ সংরক্ষণ এবং বিরোধপূর্ণ অংশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে।









