ইবি প্রতিনিধি ॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রজ্বলিত ৩৫ ব্যাচের উদ্যোগে জমকালো আয়োজনে শেষ হয়েছে প্রজ্বলিত সন্ধ্যা শিরোনামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রতিবছরের মতো ব্যাচ-ডের চলমান আয়োজন হিসেবে ব্যাচকে নতুনভাবে উপস্থাপন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনন্য নজির স্থাপন করতে এ আয়োজন করে শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সব ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান সফল করতে ১৩ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়েনা চত্বরে প্রথম আলোচনায় বসেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে কার্যবিবরণী উপস্থাপন ও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ব্যাচকে ব্যতিক্রমভাবে উপস্থাপন করতে একের পর এক নিদারুণ প্রমো ভিডিও শুটিংয়ের আয়োজন করা হয়। সর্বশেষ সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত বুধবার (২৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা মঞ্চে বেলা ৩টা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সফলভাবে চলে এই অনন্য আয়োজন। সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাকে রাঙিয়ে তুলতে গান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় ব্যান্ড দ্য সোবার। এ ছাড়া পারফর্ম করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় শিল্পী সাফিউর রহমান, নুরুন্নবী সরকার নিরব, প্রতীক দা, বর্ষণ, আব্দুল্লাহ পারভেজ, ইশতিয়াক ইমন, গোলাম হক্কানিসহ অনেকে? তা ছাড়া অনুষ্ঠানটি আরও সুন্দর করে তোলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবর্ত-৩৬ থেকে অংশগ্রহণ করেন- বর্ণালী বর্ণা, মিম জাহান খুশি, নুসরাত ঐশি, ইফতিয়াক, আহনাফ ফুয়াদ, বাশুদেব প্রমুখ। প্রজ্বলিত ৩৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী সাফিনুর তন্ময় বলেন, ’সম্মিলিতভাবে প্রজ্বলিত সন্ধ্যা আয়োজনটি সফল করেছি। ইবিতে প্রথমবারের মতো সব ব্যাচের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি ব্যাচের প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা প্রজ্বলিত ৩৫ ব্যাচ আগামীতে আরও নতুন কিছু নিয়ে আসব। জান্নাতুল তামান্না বলেন, ‘ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে অনেক বেগ পোহাতে হয়। আমাদের আর্থিক সমস্যা ছিল। শিক্ষকরা পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রশাসন সাহায্য করেছে। ক্লাস, পরীক্ষা থাকার পরও আমাদের পরিশ্রমে এবং আর্থিক সহযোগিতার কারণে প্রোগ্রামটি সুন্দরভাবে শেষ করতে পেরেছি। দিনশেষে আমরা সফল হয়েছি। মানুষের প্রচুর প্রশংসা কুড়িয়েছি। আমাদের শিক্ষকসহ, সিনিয়র-জুনিয়রদের অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। ভবিষ্যতে এর থেকে ভালো কিছু করার আশা রাখছি। নাঈমুল ফারাবি বলেন, ‘আয়োজনে অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিল। পরিশেষে আয়োজন সফলতা পেয়েছে। প্রশাসন আমাদের সুন্দর আয়োজনের জন্য অভিবাদন জানিয়েছে। এটা আমাদের জন্য প্রাপ্তি। আমাদের প্রচারণা থেকে পারফরম্যান্স, স্টেজ ডেকোরেশন সবক্ষেত্রে নতুনত্বের ছোঁয়া ছিল। আমরা আশাবাদী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি চর্চা এভাবেই এগিয়ে যাবে, আমরা আরও প্রসিদ্ধ হব।
