বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের অবসান হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মেডিকেল কলেজে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ, সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার, দি কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের পরিচালক ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আক্তারুজ্জামান কাজল মাজমাদার, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক ডা. নাসিমুল বারী বাপ্পি, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আল আমীন রানা কানাইসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা।এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কাছে ক্ষমা চান সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা।
গত ১০ অক্টোবর সন্ধ্যার পর কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ বিরোধের সূত্রপাত হয়। ওই ঘটনায় ফেসবুকে প্রতিবাদ জানানোর জেরে রোগীর স্বজনদের মারধরের অভিযোগ ওঠে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কুষ্টিয়া শহরের হরিশংকরপুর এলাকার রহমত আলীর ছেলে সোহাগ ও সোহেলকে মারধর করা হয়। এ সময় তাঁদের একটি মোটরসাইকেল ও মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন পরিবারের সদস্যরা। মারধরে আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহীতে নেওয়া হয়েছিল।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিরোধের সমাধানে বৃহস্পতিবার মেডিকেল কলেজে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে শিক্ষার্থীরা ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এর মধ্য দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। এতে ভুক্তভোগী পরিবার উক্ত ঘটনার মামলা তুলে নিবেন বলে শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দেন।









