খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৮ই জানুয়ারি ২০১৫, ৩:২১ পিএম

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শস্যসমৃদ্ধ ও জনবহুল জনপদ হলো কুষ্টিয়া জেলা। পলিমাধুর্যপূর্ণ ভূমি, গঙ্গা-পদ্মা ও গড়াই নদীর অববাহিকা এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এই জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। প্রাচীনকাল থেকেই ধান, পাট, তামাক এবং ঐতিহ্যবাহী পান চাষের জন্য কুষ্টিয়া গোটা দেশে এক বিশেষ পরিচিতি বহন করে আসছে। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নিবিড় তদারকি এবং কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে কুষ্টিয়ার কৃষি খাত বর্তমানে প্রথাগত চাষাবাদ থেকে বেরিয়ে একটি লাভজনক ও বাণিজ্যিক রূপ লাভ করেছে। এই অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থা, ভূপ্রকৃতি, শস্য বিন্যাস এবং উপজেলাভিত্তিক কৃষকের পরিসংখ্যানের একটি বিস্তারিত ও প্রামাণ্য চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো।
কুষ্টিয়া জেলার ভূপ্রকৃতি কৃষির জন্য অত্যন্ত অনুকূল। গঙ্গা ও এর শাখা নদীগুলোর পলি সঞ্চিত হয়ে এখানকার ভূমি অত্যন্ত উর্বর করে তুলেছে। দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি এখানকার প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদনের জন্য আদর্শ।
জেলার কৃষি উৎপাদনে আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানভেদে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন উপজেলায় বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণে কিছুটা তারতম্য দেখা যায়। উদীয়মান কৃষিব্যবস্থায় মৌসুমী বায়ুর প্রভাব এবং ভূগর্ভস্থ পানির সুষম ব্যবহারের মাধ্যমে এখানকার চাষাবাদ পরিচালিত হয়। নদীমাতৃক এই অঞ্চলে সেচ সুবিধার কারণে খরা মৌসুমেও ফসলের মাঠ সবুজ থাকে।
কুষ্টিয়া জেলার কৃষি কাঠামোর গভীর অনুধাবনের জন্য উপজেলাভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামো এবং কৃষকদের শ্রেণি বিন্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলায় মোট ছয়টি উপজেলা রয়েছে। নিচে প্রতিটি উপজেলার প্রশাসনিক তথ্য এবং কৃষি শুমারিভিত্তিক কৃষক ও জমির মালিকানার পরিসংখ্যান বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
কুষ্টিয়া সদর উপজেলা জেলার প্রধান প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও এর গ্রামীণ জনপদে কৃষির ব্যাপক বিস্তার রয়েছে। এখানকার উর্বর মাটিতে ধান ও সবজির পাশাপাশি বিভিন্ন অর্থকরী ফসলের চাষ হয়।
সাধারণ প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক তথ্য:
পৌরসভা: ১টি
ইউনিয়ন: ১২টি
ওয়ার্ড: ১২৯টি
ব্লক: ৪৩টি
মৌজা: ১২৩টি
গ্রাম: ১৬৮টি
বাৎসরিক মোট বৃষ্টিপাত: ১৩৪৮ মি.মি.
কৃষক ও জমির মালিকানার শ্রেণি বিন্যাস:
অপ্রশ্রেণীভুক্ত কৃষক: ৩,৪৮২ জন
ভূমিহীন কৃষক: ৩৩ জন
প্রান্তিক কৃষক: ৩৫৮ জন
ক্ষুদ্র কৃষক: ১,৪৪২ জন
মাঝারি কৃষক: ২,৫০৫ জন
বড় কৃষক: ১৪,৩২৭ জন
কুমারখালী উপজেলা তার ঐতিহাসিক তাঁতশিল্পের পাশাপাশি কৃষিতেও সমানভাবে অগ্রসর। গড়াই নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এই অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের শস্য ও শাকসবজি উৎপাদিত হয়।
সাধারণ প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক তথ্য:
পৌরসভা: ১টি
ইউনিয়ন: ১১টি
ওয়ার্ড: ১০৮টি
ব্লক: ৩৪টি
মৌজা: ১৮৬টি
গ্রাম: ২০২টি
বাৎসরিক মোট বৃষ্টিপাত: ১৪৭৯ মি.মি.
কৃষক ও জমির মালিকানার শ্রেণি বিন্যাস:
অপ্রশ্রেণীভুক্ত কৃষক: ৩১,৩৮৭ জন
ভূমিহীন কৃষক: ২ জন
প্রান্তিক কৃষক: ৩ জন
ক্ষুদ্র কৃষক: ৬ জন
মাঝারি কৃষক: ৭ জন
বড় কৃষক: ১ জন
জেলার তুলনামূলক ছোট উপজেলা খোকসায় কৃষিকাজ গ্রামীণ অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। এখানকার শস্যক্ষেত্রগুলো খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
সাধারণ প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক তথ্য:
পৌরসভা: ১টি
ইউনিয়ন: ৯টি
ওয়ার্ড: ৯০টি
ব্লক: ২৮টি
মৌজা: ৭৯টি
গ্রাম: ১০৫টি
বাৎসরিক মোট বৃষ্টিপাত: ৫১ মি.মি. (স্বল্প বৃষ্টিপাত অঞ্চল)
কৃষক ও জমির মালিকানার শ্রেণি বিন্যাস:
অপ্রশ্রেণীভুক্ত কৃষক: ২,৫০১ জন
ভূমিহীন কৃষক: ৩ জন
প্রান্তিক কৃষক: ০ জন
ক্ষুদ্র কৃষক: ০ জন
মাঝারি কৃষক: ০ জন
বড় কৃষক: ৯,৫৫৮ জন
মিরপুর উপজেলা কুষ্টিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃষি অঞ্চল। এখানকার বিস্তীর্ণ মাঠে ধান, পাট, তামাক ও নানাবিধ ফসলের বাম্পার ফলন হয়।
সাধারণ প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক তথ্য:
পৌরসভা: ১টি
ইউনিয়ন: ১৩টি
ওয়ার্ড: ১২৬টি
ব্লক: ৪০টি
মৌজা: ১১৬টি
গ্রাম: ১৮৮টি
বাৎসরিক মোট বৃষ্টিপাত: ২৩৮ মি.মি.
কৃষক ও জমির মালিকানার শ্রেণি বিন্যাস:
অপ্রশ্রেণীভুক্ত কৃষক: ১,৫০০ জন
ভূমিহীন কৃষক: ২,০৪৪ জন
প্রান্তিক কৃষক: ১৫,৬০৪ জন
ক্ষুদ্র কৃষক: ৩৬,৩৪৮ জন
মাঝারি কৃষক: ২,২৫৫ জন
বড় কৃষক: ৬২২ জন
পদ্মা নদী দ্বারা বেষ্টিত দৌলতপুর উপজেলা কৃষি উৎপাদনের দিক থেকে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এখানকার চরাঞ্চল ও মূল ভূখণ্ডের মাটি কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত উর্বর।
সাধারণ প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক তথ্য:
পৌরসভা: ০টি (সম্পূর্ণ ইউনিয়ন ভিত্তিক)
ইউনিয়ন: ৮টি
ওয়ার্ড: ২৪টি
ব্লক: ২৪টি
মৌজা: ১৪৯টি
গ্রাম: ১৮৮টি
বাৎসরিক মোট বৃষ্টিপাত: ২১১৪ মি.মি. (অঞ্চলভেদে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত প্রবণ)
কৃষক ও জমির মালিকানার শ্রেণি বিন্যাস:
অপ্রশ্রেণীভুক্ত কৃষক: ৩০,৬০৫ জন
ভূমিহীন কৃষক: ০ জন
প্রান্তিক কৃষক: ২ জন
ক্ষুদ্র কৃষক: ৭ জন
মাঝারি কৃষক: ১ জন
বড় কৃষক: ২ জন
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতুর সংযোগস্থল ভেড়ামারা উপজেলায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাণিজ্যিক ফসলের চাষাবাদ বেশ লক্ষণীয়।
সাধারণ প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক তথ্য:
পৌরসভা: ১টি
ইউনিয়ন: ৬টি
ওয়ার্ড: ৬৩টি
ব্লক: ১৯টি
মৌজা: ৪৩টি
গ্রাম: ৯২টি
বাৎসরিক মোট বৃষ্টিপাত: ১০২০ মি.মি.
কৃষক ও জমির মালিকানার শ্রেণি বিন্যাস:
অপ্রশ্রেণীভুক্ত কৃষক: ৩০ জন
ভূমিহীন কৃষক: ১৮ জন
প্রান্তিক কৃষক: ৪,৬১৩ জন
ক্ষুদ্র কৃষক: ১০,৩৪৩ জন
মাঝারি কৃষক: ৬৯৫ জন
বড় কৃষক: ৫৫ জন
কুষ্টিয়ার কৃষি অর্থনীতি বৈচিত্র্যময় ফসলের সমাহারে সমৃদ্ধ। এখানে খাদ্যশস্য থেকে শুরু করে অর্থকরী ও উদ্যান ফসল প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত হয়।
কুষ্টিয়ায় প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবে আউশ, আম্পান ও বোরো—তিন মৌসুমেই ধানের ব্যাপক চাষ হয়। বিশেষ করে সদর উপজেলার খাজানগর মোকাম ও আশেপাশের এলাকায় উৎপাদিত চাল দেশের চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করে। আধুনিক প্রযুক্তির সমলয় চাষাবাদ পদ্ধতিতে কুষ্টিয়ায় বর্তমানে ধানের ফলন বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঐতিহাসিককাল থেকেই কুষ্টিয়া অঞ্চলে পাট চাষের ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। ব্রিটিশ আমল থেকেই এই অঞ্চলকে পাট বা ‘কোশ্টা’ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে গণ্য করা হতো। গড়াই ও পদ্মা নদীর সুমিষ্ট পানি পাট জাগ দেওয়ার জন্য আদর্শ হওয়ায় এখানকার পাটের আঁশ অত্যন্ত উজ্জ্বল ও শক্তিশালী হয়।
কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর, দৌলতপুর ও ভেড়ামারা উপজেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তামাক চাষ করা হয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় তামাক ও সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই অঞ্চল থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে থাকে। তামাক চাষ অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের একটি অংশ দীর্ঘকাল ধরে এর সাথে যুক্ত রয়েছে, যদিও পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত কারণে এর বিকল্প ফসল উৎপাদনেও কৃষি বিভাগ কাজ করছে।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা, মিরপুর ও দৌলতপুর অঞ্চলে উৎপাদিত পান কেবল দেশীয় চাহিদা মেটায় না, বর্তমানে এটি আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রবেশ করেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কুষ্টিয়ার বিখ্যাত মিষ্টি পান নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।
মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের বিখ্যাত ‘মধুপুর কলা’ বা স্থানীয় জাতের কলা চাষে কুষ্টিয়ার কৃষকরা দারুণ সাফল্য অর্জন করেছেন। এছাড়া আম, পেয়ারা, কুল এবং লিচুর বাণিজ্যিক বাগান গড়ে উঠেছে এই জেলায়।
কৃষির উৎপাদন ব্যয় কমানোর জন্য এবং সময় সাশ্রয় করতে কুষ্টিয়া জেলায় আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (DAE) আওতায় কৃষকদের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে কম্বাইন হারভেস্টার, পাওয়ার টিলার, রিপার এবং সিডার মেশিন বিতরণ করা হচ্ছে।
সমলয় চাষাবাদ (Synchronized Cultivation): কুষ্টিয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আধুনিক সমলয় পদ্ধতিতে ট্রেতে চারা তৈরি এবং কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
তেলজাতীয় ও ডাল ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প: সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে কুষ্টিয়ার মাঠে মাঠে সরিষা এবং বিভিন্ন ডাল জাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা আমদানিনির্ভরতা কমাতে সাহায্য করছে।
উর্বর ভূমি ও অনুকূল আবহাওয়া থাকা সত্ত্বেও কুষ্টিয়ার কৃষিকে কিছু নির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়:
সেচ সংকট ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া: শুষ্ক মৌসুমে অনেক এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। এর সমাধানে ভূউপরিস্থ পানি (Surface Water) ব্যবহার এবং খাল-নদী পুনঃখননের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ: অনাবৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড় ও অতিরিক্ত খরতাপের কারণে অনেক সময় ফসলের কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া যায় না। আবহাওয়া উপযোগী জাতের শস্য উদ্ভাবন করে এর মোকাবেলা করা হচ্ছে।
ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি: উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য প্রাপ্তির জন্য পর্যাপ্ত কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের সম্প্রসারণ প্রয়োজন।
প্রশ্ন ১: কুষ্টিয়া জেলার কৃষি প্রধানত কিসের ওপর নির্ভরশীল?
উত্তর: কুষ্টিয়ার কৃষি প্রধানত পলিমাধুর্যপূর্ণ উর্বর মাটি, গঙ্গা-পদ্মা ও গড়াই নদীর অববাহিকার সেচ সুবিধা এবং অনুকূল আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন ২: কুষ্টিয়ার কোন কোন উপজেলায় তামাক চাষ বেশি হয়?
উত্তর: কুষ্টিয়ার মিরপুর, দৌলতপুর এবং ভেড়ামারা উপজেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তামাক চাষ করা হয়।
প্রশ্ন ৩: কুষ্টিয়ার কোন কৃষিপণ্য বর্তমানে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে?
উত্তর: কুষ্টিয়ার উৎপাদিত বিখ্যাত মিষ্টি পান বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়মিত রপ্তানি করা হচ্ছে।
প্রশ্ন ৪: কুষ্টিয়া জেলার চালের সবচেয়ে বড় মোকাম কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগর এলাকাটি দেশের অন্যতম বৃহৎ চালের উৎপাদন ও বিপণন কেন্দ্র বা মোকাম হিসেবে পরিচিত।
প্রশ্ন ৫: কুষ্টিয়ার কৃষির উন্নয়নে সরকারি কোন সংস্থা কাজ করছে?
উত্তর: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) এবং বিএডিসি (BADC) যৌথভাবে কুষ্টিয়ার কৃষির উন্নয়নে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে।
মন্তব্য