অনেক শিশুই সময়ের আগে বড় হয়ে যেতে বাধ্য হয় - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

অনেক শিশুই সময়ের আগে বড় হয়ে যেতে বাধ্য হয়

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: নভেম্বর ২৭, ২০২৩
অনেক শিশুই সময়ের আগে বড় হয়ে যেতে বাধ্য হয়

বর্তমানে সমস্যার মধ্যে শিশুর অধিকার শনির দশা পরিগ্রহ করছে। বেদেনী শিশু পূর্ণার্ঙ্গ মানুষ থেকে আলাদা। এটা বোঝাতে গেলে হয় বোকা সাজতে হবে নইলে অন্যকে বোঝাতে ব্যর্থ হতে হবে। শিশু অধিকার নিয়ে অনেক আইন আছে ।

অনেক শিশুই সময়ের আগে বড় হয়ে যেতে বাধ্য হয়

অনেক শিশুই সময়ের আগে বড় হয়ে যেতে বাধ্য হয়

অনেক শিশুই সময়ের আগে বড় হয়ে যেতে বাধ্য হয়

শূন্যের কোটায় যার ফলশ্রুতিতে বেদেনী শিশুরা মানবেতর জীবন যাপন আর থাকে অস্থায়ী ও পলিথিন, বাস দিয়ে তৈরি ছোট্ট ঘরে। এইসব শিশুরা অন্যান্য শিশুদের থেকে একেবারেই আলাদা তাদের জীবন। শিশু বিষয়ক আরও যে সব দিবস রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ১৭ ই মার্চ জাতীয় শিশু দিবস। অন্যদিকে অধিবাসী শিশু, শ্রমজীবি পরিবারের শিশু (শহর বা গ্রামের), বেদেনী শিশুরাও রোগে বা অপুষ্টিতে ভোগে, অপুষ্টিই এদের প্রধান ব্যাধি।

এই শিশুরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনাদরে অবহেলায় মানুষ হচ্ছে। এইসব শিশুরা অন্ন, বস্থ, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ইত্যাদি মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত অসহায় ও সামাজিক কলঙ্ক বিচ্ছিনতার সম্মুখীন হয়। নিজের পরিবারের বেঁচে থাকার কৌশলের অংশ হিসেবে অনেক শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিযুক্ত করা হয়। তার বয়সের আগেই সে বড় হয়ে যেতে বাধ্য হয়। বিভিন্ন জেলায় দেখা যায় অস্থায়ীভাবে বেদিনীরা বসবাস করে। কয়েক দশক ধরে দেখছি এদের, এবং এদের একাংশ অসহায়।

একসময় এদের ‘পথকলি’-র শোভন নামে আখ্যায়িত করে স্বাভাবিক জীবনস্রোত ফিরিয়ে নেবার পরিকল্পনা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত তা বেশি দূর এগোয় না। ওদের ভাগ্য বেদেনী ঘরে নির্ধারিত থাকে। বেদিনী শিশু জীবনের নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা সাহায্য দুএকটি এন.জি.ও এগিয়ে এলেও শেষ পর্যন্ত অবস্থার উন্নতি হয়নি। আন্তর্জাতিকভাবে জাতীসংঘ শিশু সনদে বর্ণিত ঘোষণা অনুযায়ী ১৮ বয়সের কম বয়সী সকলেই শিশু। সে অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৪৫ ভাগই শিশু। বাংলাদেশের জাতীয় শিশু নির্ধারণে বয়স সীমায় মত পার্থক্য থাকতে পারে। তবে তা কখনোই ১৮ বছরের উর্ধ্বে নয়।

যে সব শিশু পিতৃ কিংবা মাতৃহীন , মা তালাকপ্রাপ্ত কিংবা বাবা মারত্মক দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত, মাদকাসক্ত কিংবা পিতা মাতা সংসার চালাতে পারছে না সেই সব ঘরের বাহিরে চলে আসে। জীবনের জন্য যুদ্ধ শুরু হয়।আমাদের দেশের বেদিনী দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে। এরা সঠিক ভাবে শিশুদেরকে গড়ে তুলতে পারে না। তাদের সংসারে অভাব অনটন লেগেই থকে। তারা ছেলে-মেয়েদেরকে ঠিকমত খাবার ও অন্যান্ন মৌলিক অধিকার/সুযোগ-সুবিদা প্রদানে ব্যার্থ হয়। এসব শিশুরাই তখন জীবন সংগ্রামে নেমে ভিবিন্ন কাজ-কর্মে জড়িয়ে পড়ে। এসব কাজের মধ্যে রয়েছে- কুলি, হকার, রিক্সা শ্রমিক, ফুল বিক্রেতা, আবর্জনা সংগ্রাহক, হোটেল শ্রমিক, বুনন কর্মী, মাদক বাহক, বিড়ি শ্রমিক, ঝালাই কারখানার শ্রমিক ইত্যাদি।

তাছাড়া ভিবিন্ন ঝুকিপূর্ণ কাজে তাদেরকে নিয়োজিত করা হয়। এ ধরনের পিছিয়ে পড়া বঞ্চিত শিশুদের আমাদের চিহ্নিত করে তাদের শিক্ষা, খাদ্য,চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। তাদেরকে সমাজের অন্য শিশুদের মতই মূল্যায়ন করতে হবে। তারা কি করবে তারা কোথায় যাবে তারা কিভাবে থাকবে এদিকে আমাদের সবার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।