দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী ও ঢাকা উত্তর মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল বলেছেন, জনগণের ভোটই নির্ধারণ করবে দেশের নেতৃত্ব। নির্বাচন ঠেকানোর চেষ্টা বা বানচালের পাঁয়তারা করে কোনো লাভ হবে না। তিনি বলেন, নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে, আর জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করবেন।
গতকাল শনিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া বাজার ও শেহালা এলাকায় বিএনপি’র দুটি আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধনের পর টানা দুটি উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন শরিফ উদ্দিন জুয়েল। এ সময় তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনগণের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। শরিফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, জনগণ এখন অনেক সচেতন।
তারা জানে, অরাজকতা বা ষড়যন্ত্র করে কোনো রাজনৈতিক দল টিকে থাকতে পারে না। দেশের মানুষ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায়। তারা গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চায়। তিনি আরও বলেন, যারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতে চাচ্ছে, তারা আসলে জনগণকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। বৈঠকে তিনি বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের একটি দফা ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ করেন। পাশাপাশি ৩১ দফা সুফল সাধারণ মানুষের মাঝে তুলে ধরে তিনি ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, শরিফ উদ্দিন জুয়েল দীর্ঘদিন ধরে দৌলতপুরের মানুষের পাশে আছেন।
তিনি যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁদের বিশ্বাস, আসন্ন নির্বাচনে তিনি দৌলতপুরবাসীর আস্থা অর্জন করবেন। উঠান বৈঠক শেষে শরিফ উদ্দিন জুয়েল এলাকাবাসীর খোঁজখবর নেন ও তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা শোনেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, বিএনপি থেকে যদি মনোনয়ন পাই, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে দৌলতপুরকে একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন।
স্থানীয় তরুণরা বলেন, শরিফ উদ্দিন জুয়েলের মতো নেতৃত্বই দেশের প্রয়োজন যিনি রাজনীতিকে জনগণের সেবার হাতিয়ার হিসেবে দেখেন এবং মাঠপর্যায়ে মানুষের সঙ্গে কাজ করতে জানেন। বৈঠকে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আসন্ন নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
