কুমারখালীতে শঙ্কা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান, অনুপস্থিত মেয়র - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীতে শঙ্কা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান, অনুপস্থিত মেয়র

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: আগস্ট ১৯, ২০২৪

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ধীরেধীরে চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ১১ টির মধ্যে ১০ ইউনিয়ন পরিষদে ফিরেছেন চেয়ারম্যান বৃন্দ। তবে এখনও অনুপস্থিত পৌরসভার মেয়র, প্যানেল মেয়র ও সদকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিনহাজুল আবেদন দ্বীপ। সদকীতে একজন নিবন্ধক নিয়োগ দিয়েছে প্রশাসন। আর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান অসুস্থতাজনিত কারণে উপজেলার বাইরে রয়েছেন।

চেয়ারম্যানদের ভাষ্য, পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও শঙ্কা ও আতঙ্ক কাটেনি। তবুও জনস্বার্থে কার্যালয়ে ফিরেছেন তারা। তবে সেবা প্রত্যাশীদের উপস্থিতি কম। গত বৃহস্পতিবারপরিষদে পরিষদে সুনসান নীরবতা শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। গতকাল রোববার (১৮ আগষ্ট) দুপুর সাড়ে ১২ টায় যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, অনেকটা সুনসান নীরবতা। বারান্দায় নিরাপত্তায় রয়েছেন কয়েকজন গ্রাম পুলিশ।

চেয়ারম্যান কক্ষে বসে সেবা দিচ্ছেন চেয়ারম্যান ও সচিব। এসময় ইউনিয়নের বহলবাড়িয়া গ্রামের আব্দুস সালাম বলেন, পরিষদে চেয়ারম্যান এসেছে। তিনি একটি ওয়ারিশনামার জন্য এসেছেন। জোতমোড়া গ্রামের মাসুম বলেন, তিনি জন্মনিবন্ধন কার্ডে চেয়ারম্যানের সই নিতে এসেছিলেন। পরিষদের সচিব মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগের পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন চেয়ারম্যান। তবে গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে আবার অফিস করছেন চেয়ারম্যান।

সেবা প্রত্যাশীদের উপস্থিতি কম। যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. মিজানুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় কার্যালয়ে ফিরে জনগণকে সেবা দিচ্ছেন তিনি। তবে শঙ্কা ও আতঙ্ক কাটেনি। গত ৫ আগষ্ট তাঁর কার্যালয়েও হামলা করেছিল দুর্বৃত্তরা। জনস্বার্থে সকল বাঁধা ও শঙ্কা উপেক্ষা করেই পরিষদে এসেছি বলে জানান কয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন।

ফোনে সদকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিনহাজুল আবেদন দ্বীপ জানান, তাঁর মেয়ে অসুস্থ। সেজন্য তিনি বাইরে আছেন। আগামী বুধবার থেকে তিনি কার্যালয়ে ফিরবেন। কুমারখালী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ও সচিব ( ভারপ্রাপ্ত) মো. ওয়াহিদুর রহমান জানান, মেয়র ও প্যানেল মেয়র কেউ আসেনা। আর্থিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও জনগণের সেবা দিচ্ছেন বলে তিনি জানান। পৌরসভার প্যানেল মেয়র এস এম রফিক ফোনে জানান, প্রতিদিনই কার্যালয়ে গিয়ে লোকজন হুমকি দিচ্ছে।

সেজন্য ভয়ে তারা আত্মগোপনে রয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম জানান, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। সদকীর চেয়ারম্যান ব্যতিত সবাই পরিষদে আসছেন। সদকীতে একজন নিবন্ধক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।