নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ায় কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের চোড়াইকোল স্টেশন সংলগ্ন নিরাময় ফার্মেসী থেকে একাত্তর বাংলাদেশ পত্রিকার পরিচয় দানকারী সাংবাদিক মোঃ রাকিব হোসেন (২২) কে আটক করে কুমারখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সে কুমারখালী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের দূর্গাপুর কাজী পাড়া রেলগেট এলাকার মোঃ সাহেব আলীর ছেলে। এই ঘটনায় আরো ভূয়া ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দানকারী সহ দুইজন পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। পলাতক দুইজনের একজন হলেন, কুমারখালী উপজেলার দূর্গাপুর এলাকার মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে পলাশ হোসেন (৩৫)।
এখন পর্যন্ত পলাতক অপরজনের পরিচয় সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোন কিছু জানা যায়নি। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নিরাময় ফার্মেসী মালিক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২ টার সময় রাকিব হোসেন ও পলাশ হোসেন পলাতক ব্যক্তিকে মিজানুর রহমানের মালিকানাধীন নিরাময় ফার্মেস তে নিয়ে যায় এবং রাকিব হোসেন ও পলাশ হোসেন তাদের সাথে থাকা ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিচয়ে পরিচয় প্রদান করেন।
সেই সময় তারা ঐ ফার্মেসীর দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দোকন মালিককের নিকট ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। কিন্তু তাদের কথাবর্তা শুনে দোকান মালিক মিজানুর রহমানের সন্দেহ হলে তিনি তাদের পরিচয় পত্র দেখতে চাইলে তারা (ভূয়া ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়দানকারীরা) পরিচয়পত্র দেখাইতে ব্যর্থ হন।
পরবর্তিতে স্থানীয় জনসাধারনের সাহায্যে ভূয়া ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দানকারী মোঃ রাকিব হোসেন আটক করতে সক্ষম হলেও অপর দুই জন পালিয়ে যায়। আটক রাকিব হোসেন কে কুমারখালী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। জানতে চাইলে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই সমস্ত কাজ করে বেড়াই। আমি তাদের বিচার চাই।
জানতে চাইলে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আকিবুল বলেন, ইতিমধ্যে এই বিষয়ে মামলা হয়েছে। বাকি দুইজনকে ধরতে অভিযান অব্যহত রয়েছে। আটক রাকিব হোসেন বিজ্ঞ আদলতের মাধ্যমে জেহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
