কুমারখালীতে স্পিরিট পানে মটর শ্রমিকের মৃত্যু - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীতে স্পিরিট পানে মটর শ্রমিকের মৃত্যু

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ডিসেম্বর ৪, ২০২৩
কুমারখালীতে স্পিরিট পানে মটর শ্রমিকের মৃত্যু

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে হোমিওপ্যাথি দোকান থেকে স্পিরিট ক্রয় করে পানের পর নুরুল ইসলাম (৫০) নামে এক মটর শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার ( ৩ ডিসেম্বর) রাত ৮ টার দিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

কুমারখালীতে স্পিরিট পানে মটর শ্রমিকের মৃত্যু

কুমারখালীতে স্পিরিট পানে মটর শ্রমিকের মৃত্যু

কুমারখালীতে স্পিরিট পানে মটর শ্রমিকের মৃত্যু

তিনি উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘরমধুয়া গ্রামের মৃত ইজ্জত আলীর ছেলে। এরআগে একই সাথে স্পিরিট পানে গত শনিবার রাত ১২ টার দিকে তাঁর সহযোগী কাশেম আলী (৪০) মারা যান। তিনি ইবি থানাধীন দুর্বাচারা গ্রামের নুর ইসলাম পটলের ছেলে। এছাড়াও এঘটনায় অসুস্থ হয়ে মো. গঞ্জের আলী নামে আরো একজন অসুস্থ হয়ে হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি দুর্বাচারা গ্রামের মৃত আনছার আলীর ছেলে।

জানা গেছে, গত শনিবার সন্ধায় কুমারখালীর বাগুলাট ইউনিয়নের বাঁশগ্রামস্থ হামিদুল ডাক্তারের হোমিওপ্যাথি দোকান থেকে নুরুল ইসলাম এবং মোঃ কাশেম আলী মিলে স্পিরিট ক্রয় করে কাশেম আলী’র মুদি দোকানে বসে এক বোতল পান করে। এরপর ফাকা মাঠে গিয়ে গঞ্জের আলী সহ তিনজনে পুনরায় আবারো স্পিরিট পান করে। পরবর্তীতে রাত অনুমান রাত সাড়ে ৮ টার দিকে তারা অসুস্থ্য হয়ে পড়লে স্বজনরা তাঁদেরকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাশেম মারা যান। এরপর আজ রোববার রাত ৮ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুরুল ইসলাম মারা যায়।

এঘটনায় মোঃ গঞ্জের আলী অসুস্থ হয়ে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন । কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আরএমও তাপস কুমার সরকার জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ একজন মারা গেছেন। এঘটনায় এখনও একজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, মাত্রাতিরিক্ত স্পিরিট পান করার কারনে এ ধরণের ঘটনা ঘটতে পারে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে।

কুমারখালী থানার ওসি মো. আকিবুল ইসলাম জানান, স্পিরিট পানে একজনের মৃত্যু হয়েছে। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক পলাতক রয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।