শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির আলোচনা সভা
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির আলোচনা সভা
বুধবার ১৭ মে কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. নুরুল ইসলাম দুলাল। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পিপি ও জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত সিনিয়র সদস্য এ্যাড. নিজাম উদ্দিন এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এ্যাড. শেখ আবু সাঈদ, সরকারি কৌশুলী জিপি আসম আখতারুজ্জামান মাসুম, সিনিয়র এ্যাডভোকেট ও সাবেক সহ সভাপতি আকরাম হোসেন দুলাল, সাবেক সাধারন সম্পাদক, দেওয়ান মাসুদ করিম মিঠু, এ্যাড, সাইফুল ইসলাম রানা, এ্যাড. নিজামুল হক চুন্নু,এ্যাড, গোলাম মওলা, এ্যাড. তানজিলুর রহমান এনাম, এ্যাড. দেওয়ান সরোয়ার, এ্যাড. সাইফূর রহমান সুমন, এ্যাড. সুব্রত চক্রবর্তী, এ্যাড, আল মুজাহিদ হোসেন মিঠু, এ্যাড. রাজিব আহসান প্রমুখ।
আলৌচনা সভায় বক্তারা বলেন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে সেদিন জনতার কণ্ঠে বজ্র কন্ঠে ঘোষিত হয়েছিল ‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম-পিতৃ হত্যার বদলা নেব’; ‘ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে- আমরা আছি তোমার সাথে’। ‘শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’।
ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার নিরবচ্ছিন্ন দীর্ঘ সংগ্রাম শুরু হয়। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তাঁর অকুতোভয় সংগ্রাম। জেল-জুলম, অত্যাচার কোনো কিছুই তাঁকে তাঁর পথ থেকে টলাতে পারেনি এক বিন্দু- শত প্রতিক‚ লতাতেও হতোদ্যম হননি কখনো।

এ সময় বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর দীর্ঘ ৪২ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের অবসান, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বাঙালির ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে। খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর খুনি ও একাত্তরের নরঘাতক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য সম্পন্ন এবং রায় কার্যকর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা-মনন, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত যে বাংলাদেশ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করতো সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ তালাবিহীন ঝুঁড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে।
