কুষ্টিয়ায় সাঙ্গ হলো বাউলদের সাধুসঙ্গ
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে পূর্ণ সেবার মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে সাধুসঙ্গ অনুষ্ঠান। মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম সাধু ও ভক্তদের খাবারের প্লেটে সাদা ভাত, মশলাবিহীন সবজী তরকারী ও ভাজা ইলিশ মাছ দিয়ে পুর্ন সেবার উদ্বোধন করেন।

কুষ্টিয়ায় সাঙ্গ হলো বাউলদের সাধুসঙ্গ
এরপর সাধুরা তাদের নিজস্ব রীতি অনুযায়ী সকলে একসাথে পুর্ণ সেবা গ্রহণ করেন। সেবা শেষে তারা লালন আখড়াবাড়ি ত্যাগ করতে থাকেন। সোমবার সন্ধ্যায় অধিবাসের মধ্যদিয়ে সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বাল্যসেবা নেন সাধু ও লালন ভক্তবৃন্দ।
উল্লেখ্য, বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ তাঁর জীবদ্দশায় ছেঁউড়িয়ার এই আখড়াবাড়িতে চৈত্রের দৌল পূর্নিমা রাতে ভক্তদের নিয়ে সাধুসঙ্গ উৎসব করতেন। ১২৯৭ বঙ্গাব্দের পহেলা কার্তিক তার দেহত্যাগের পরও এ উৎসব করে আসছেন তাঁর ভক্ত ও অনুসারীরা।
‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’এই প্রতিপাদ্য নিয়ে লালন একাডেমির আয়োজনে এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় শনিবার সন্ধ্যায় ৩দিন ব্যাপী এ লালন স্মরণোৎসব উদ্ধোধন করা হয়।
