বিশেষ প্রতিনিধি ॥ পিস্তল হাতে ভিডিও ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, এমন অভিযোগ করেছেন জেলা যুবদলের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদের ছেলে সানজিদ আহমেদ। তার দাবি, ভিডিওর পিস্তলটি ছিল খেলনা।
গতকাল মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সানজিদ আহমেদ। সংবাদ সম্মেলনে সানজিদ বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে তাকে এবং তার বাবা আব্দুল মাজেদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অথচ ভিডিওটি প্রায় এক বছর আগের। ভিডিওতে তার হাতে থাকা পিস্তল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওটা মূলত খেলনা পিস্তল।
ঘটনার দিন দুপুরে আমরা কয়েকজন বাড়ির পাশের মাঠের মাঝের সড়কে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এসময় একটি শিশু ওই পথ দিয়ে যাচ্ছিল। তার হাতে পিস্তলটি ছিল। দেখতে সুন্দর লাগায় শিশুটির কাছ থেকে নিয়ে সেটি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখছিলাম। তখন কে বা কারা ভিডিওটি ধারণ করে রাখে। ভিডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছিল জানতে চাইলে সানজিদ বলেন, আনুমানিক এক বছর আগের। তবে ওই সময় ভিডিওতে তিনি কী করছিলেন, তা তার মনে নেই বলেও জানান।
পিস্তলটি আসল নয় কেন— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক খেলনা পিস্তল দেখতে অনেকটা আসল অস্ত্রের মতো। ভিডিওটি ভালোভাবে দেখলে বিষয়টি বোঝা যাবে। সানজিদ আরও বলেন, তার বাবা আব্দুল মাজেদ যুবদলের নেতা। শিগগিরই কুষ্টিয়া যুবদলের কমিটি ঘোষণা হতে পারে। এ কারণে তাদের পরিবার ও তার বাবাকে ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাটিও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, আমার বাবার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে গিয়ে আমাদের পরিবারের অন্য সদস্যদের জীবনও বিষিয়ে তোলা হচ্ছে। আমি যুবদল নেতার সন্তান হয়ে কি অপরাধ করেছি? আমার কি স্বাভাবিক জীবনযাপনের অধিকার নেই? আমি কি বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাও দিতে পারব না?
সাংবাদিকদের উদ্দেশে সানজিদ বলেন, ফেসবুকে যে কেউ যা খুশি লিখতে পারেন। কিন্তু সংবাদকর্মীদের কাছে তিনি বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে সত্য তুলে ধরার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, আপনারা বিজ্ঞ সংবাদকর্মী। আপনারা বিচার-বিবেচনা করে সত্যটা তুলে ধরুন। আমাদের নানামুখী ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি দিন। সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।









