বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ৫দিন ব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসেট প্রজেক্ট এর আওতায় ইন-হাউস ট্রেনিংয়ের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সভাকক্ষে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ রুহুল আমিন।
আয়োজকরা জানান এসেট প্রোজেক্ট এর অর্থায়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। আগামী ৫দিন ব্যাপী এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইসমাইল হোসেন মুরাদ, দি কুষ্টিয়া চেম্বারের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল আলম মারুফ, আইডিবি কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলী প্রমূখ।
এসময় প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন, এই ট্রেনিং এর মাধ্যমে যাদেরকে তৈরি করবেন। যাদেরকে গড়ে তুলবেন, তারা কিন্তু এই প্রতিষ্ঠান, সমাজ, দেশ ও জাতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। আমরা দুইশো বছর পরাধিন ছিলাম। দুশো বছর আগের বিষয় বিশ্লেষণ করলে পৃথিবীতে আমরা কিন্তু, শিল্প, ধনী, অর্থবিত্ত, সামাজিক সম্প্রিতি বলেন আমরা এগিয়ে ছিলাম। আমরা বার বার সুযোগ পেয়েছি, কিন্তু নিজেদের মধ্যে বিভাজন আমরা দুর করতে পারিনি।
এই জাতিকে আমরা ঐক্য করতে পারিনি, দেশকে এগিয়ে নিতে পারিনি। আমরা কিন্তু ৮০দশকে পিছিয়ে ছিলাম না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর সময়। আপনারা তুলনা করে দেখবেন। চারিপাশে যারা এগিয়ে যাচ্ছিলো। আমরাও কিন্তু এগিয়ে যাচ্ছিলাম, কোন কোন ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিলাম। তিনি আরো বলেন, বর্তমান যুগে দক্ষতা উন্নয়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে ব্যবহারিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়ক হবে।
এছাড়া বক্তারা বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন একটি জাতির মেরুদণ্ড। একজন দক্ষ, সচেতন ও আধুনিক শিক্ষকই পারে একটি প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে। তাই শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ আজকের দিনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান বিশ্ব প্রযুক্তিনির্ভর এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষকদেরও নিয়মিত নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। এই ইন-হাউস ট্রেনিং সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ নিয়েছে। বক্তারা আরো বলেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং যে জ্ঞান অর্জন করবেন, যা আপনাদের শিক্ষার্থীবান্ধব করে তুলবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আরও দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।
