হানিফের আশির্বাদে ভাড়াটিয়া থেকে মালিক বনে যায় শফিকুজ্জামান দোলন - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

হানিফের আশির্বাদে ভাড়াটিয়া থেকে মালিক বনে যায় শফিকুজ্জামান দোলন

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৪

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবি সমিতির বরাদ্দকৃত জায়গা ভাড়া নিয়ে অবৈধভাবে মালিক বনে গেছে চিলিস ফুড পার্কের মালিক শফিকুজ্জামান দোলন। ভুক্তভোগী ২০১৯ সাল থেকে বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও কোন লাভ তো হয়নি বরং বিভিন্ন সময় হুমকির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা জানায় ১৯৯৬ ও ৯৯ সালে কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবি সমিতির নিকট থেকে ফাঁকা জায়গায় বার সমিতিকে টাকা দিয়ে পুরাতন বারের জায়গায় স্ট্যাম্প ও চুক্তিনামার ভিত্তিতে চারটি ঘর এর জায়গা বরাদ্দ পায় এ, কে,এম টিপু সুলতান (পান্থ) ও খন্দকার হাসান ইউসুফ।

বরাদ্দকৃত জায়গায় চারটি সেমিপাকা ঘর নির্মান করে ব্যবসা করতে থাকেন। পরে ব্যবসায় লস হলে ও শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে ২০১৬ সালে ১লা জানুয়ারিতে মিলপাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে শফিকুজ্জামান দোলনকে চারটি দোকান ভাড়া প্রদান করেন। তিন বছর ভাড়া প্রদান করার পর প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে নিজেই মালিক হয়ে যায় শফিকুজ্জামান দোলন। যেহেতু শফিকুজ্জামান দোলন জেলা যুবলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক ছিলেন এবং কুষ্টিয়া ৩ আসনের সাবেক এমপি মাহাবুব-উল হানিফ ও কুষ্টিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতার সাথে গভীর সম্পর্ক থাকায় এ কাজে তার বেগ পেতে হয়নি।

শফিকুজ্জামান দোলন কুষ্টিয়া জেলা জজ কোর্টের পিপি ও বার কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি এডভোকেট”অনুপ কুমার নন্দী” ও বার কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট “আবু সাঈদ” সহযোগিতায় উক্ত জাগার একটি কাগজ তৈরি করে নেন কিন্তু ২০১৫ সাল থেকে কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবি সমিতির জায়গা নিয়ে একটি মামলা চলমান রয়েছে। যার মামলা নং – ৎিরঃব ঢ়বঃরঃরড়হ হড়- ১২৭৯৫/২০১৫ পিটিশন জেলা আইনজীবি সমিতি বনাম ১) ভূমি মন্ত্রণলয় ২) জেলা প্রশাসক , কুষ্টিয়া দিং। তারা আরও বলেন, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় উক্ত জায়গায় কাউকে ভাড়া বা লিজ দেয়ার কোন আইনি বৈধতা নেই।

কিন্তু পূর্বের বরাদ্দকৃত জায়গা এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী ও এ্যাড. আবু সাইদ শফিকুজ্জামন দোলনকে কিভাবে ভাড়া দেয় তা নিয়ে রহস্য রয়ে গেছে। এ ঘটনায় এক আইনজীবি জানিয়েছেন, এভাবে ভাড়া কিংবা লিজ দেয়া সম্পূর্ন আইন বহিঃর্ভূত। তথ্য সূত্রে জানা গেছে, পুরাতন বার সমিতির এই মার্কেটকে কেন্দ্র করে এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী ও এ্যাড. আবু সাইদ কোটি টাকার বানিজ্য করেছে। যার সিংহভাগ লেনদেন হয়েছে শফিকুজ্জামান দোলনের হাত ধরে। এ ঘটনায় এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী ও এ্যাড. আবু সাইদের সাথে যোগযোগ করার চেষ্টা করলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।