স্বাধীনতার ৫৫ বছরে পরিবেশ রক্ষায় কুষ্টিয়ায় নতুন মাইলফলক সিদ্ধান্ত: ইঞ্জিনিয়ার জাকির সরকার - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

স্বাধীনতার ৫৫ বছরে পরিবেশ রক্ষায় কুষ্টিয়ায় নতুন মাইলফলক সিদ্ধান্ত: ইঞ্জিনিয়ার জাকির সরকার

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মার্চ ২৬, ২০২৬

কুষ্টিয়া শহরের সড়কে’র ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন রাখতে বালিবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচলে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর তিনটায় সৈয়দ মাসুদ রুমি সেতুর নিচে ব্রিজ সংলগ্ন ঘাট এলাকায় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের নেতৃত্বে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
লাহিনীপাড়া বালিরঘাটের মালিকপক্ষ ও ম্যানেজমেন্ট কমিটির যৌথ সিদ্ধান্তে প্রণীত এ নীতিমালা নির্ধারণকালে ঘাট এলাকায় উপস্থিত ছিলেন ঘাটমালিক, ড্রাম ট্রাক মালিক, স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ এলাকার সাধারণ মানুষ। সভায় শহরের বিভিন্ন সড়কে বালি পড়ে রাস্তায় ধুলাবালি সৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয় এবং তা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়। আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ড্রাম ট্রাক অতিরিক্ত বালি বহন করতে পারবে না। প্রতিটি ট্রাকে ত্রিপল দিয়ে সম্পূর্ণভাবে বালি ঢেকে রাখতে হবে এবং বালির ওপর পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে, যাতে চলাচলের সময় ধুলাবালি না ছড়ায়। এছাড়া গাড়ির বডির অতিরিক্ত বালি বহনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬ ইঞ্চি পর্যন্ত অতিরিক্ত বাতা ব্যবহার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভা শেষে উপস্থিত ঘাট মালিক ও ড্রাম ট্রাক মালিকরা এসব নিয়ম মেনে চলার অঙ্গীকার করে নীতিমালায় স্বাক্ষর করেন। সেই সময় সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা আশা প্রকাশ করেন, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে কুষ্টিয়া শহরের পরিবেশ দূষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বলেন,আমরা কুষ্টিয়া শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও ধুলাবালি মুক্ত রাখতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি। মহান স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। ঘাট ও ড্রাম ট্রাক মালিকদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি নীতিমালায় সবাই স্বাক্ষর হয়েছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, আর কোনোভাবেই ওভারলোডে কিংবা ত্রিপল
পাল ছাড়া বালি পরিবহন করা হবে না। আমরা বিশ্বাস করি, সবাই একসাথে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারলে খুব শীঘ্রই কুষ্টিয়াকে একটি পরিচ্ছন্ন, ধুলাবালি মুক্ত শহর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর আমরা সবাই মিলে শহরের পরিবেশ রক্ষায় যে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছি। এটি আমাদের জন্য সত্যিই একটি বড় অর্জন।