কুমারখালীতে সভাপতি-প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীতে সভাপতি-প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৩
কুমারখালীতে সভাপতি-প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

কুমারখালীতে সভাপতি-প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার মহেন্দ্রপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক ও দপ্তরী নামের তিন পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে তিনজন পদ প্রত্যাশীর কাছ থেকে অগ্রিম প্রায় ১৮ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউনিয়ন পরিষদের ( ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

কুমারখালীতে সভাপতি-প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

কুমারখালীতে সভাপতি-প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

কুমারখালীতে সভাপতি-প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

বৃহস্পতিবার (১৭ আগষ্ট) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাছে এমন লিখিত অভিযোগ করেন তিনজন পদ প্রত্যাশী।

অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের নাম মো. আব্দুল্লাহ আল বাকী বাদশা। তিনি উপজেলার জগন্নাথপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও মহেন্দ্রপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি। অভিযোগ আছে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রহিম খানের যোগসাজশে এ বাণিজ্যের ঘটনা ঘটেছে।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

অভিযোগকারীরা হলেন – মহেন্দ্রপুর গ্রামের মো. সিরাজ প্রামাণিকের ছেলে মো. পলাশ হোসেন, শহিদ প্রামাণিকের ছেলে মো. মামুন হোসেন ও আবুল কালাম আজাদ খানের ছেলে হিমেল খান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রহিম খান বলেন, তিনটি নয়, অফিস সহায়ক কাম কম্পিউটার ও নিরাপত্তাকর্মী নামের দুই পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। বিধি মোতাবেক চলতি বছরের মার্চ মাসে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও পরীক্ষার দিন ধার্য করা হয়নি।

তাঁর ভাষ্য, তিনি কারো সাথে অর্থ লেনদেন করেননি। পদের জন্য কোনো লোকও ঠিক করা হয়নি।

এবিষয়ে অভিযোগকারী পলাশ হোসেন বলেন, বাদশা চেয়ারম্যান তাকে অফিস সহায়ক পদে চাকুরি দেওয়ার জন্য প্রায় দেড় বছর আগে সাত লাখ টাকা নিয়েছে। বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল আলম শিমুল টাকা লেনদেনের স্বাক্ষী আছে। কিন্তু বর্তমানে চেয়ারম্যান ও প্রধান শিক্ষক গোপনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। উক্ত পদে বেশি টাকা নিয়ে আজাদ নামের একজনকে ঠিক করেছে। আগামী ২৩ আগষ্ট পরীক্ষার দিন ধার্য হয়েছে।

আরেক অভিযোগকারী মামুন হোসেন বলেন, চেয়ারম্যান তাঁদের গ্রামের ও আত্মীয় হন। দপ্তরী পদে চাকুরি দেওয়ার জন্য তাঁর কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে দেড় বছর আছে। কিন্তু এখন বেশি টাকায় মিরাজুল নামের একজনকে ঠিক করেছে। তাঁর ভাষ্য, তিনি ইউএনও কার্যালয় ও শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এবিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার বিকেলে দুইবার করে জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায় চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল বাকী বাদশা নেই। পরে তাঁর মুঠোফোনে বারবার কল দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি কল রিসিভ না করায় মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী এজাজ কায়সার বলেন, তিনি বিকেলে লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। খোঁজ খবর নিয়ে পড়ে জানাতে পারবেন। ইউএনও ( ভারপ্রাপ্ত) মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, তদন্ত সাপক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান বলেন, প্রতারণার শিকার কয়েকজন ভুক্তভোগী তাঁর কাছে এসেছিলেন। তিনি প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: